ডা চন্দ্রগুপ্ত
১৬ তম পর্বের পর….
কিন্তু ঘুরে না দাঁড়ালে প্রণব বসুরা চেপে বসে গলার ওপরে, নো চান্স। মনে সাহস এনে পুলক বলল, আমরা থাকলে এটা হতে দিতাম না। পুলকের কাছ থেকে এমন উত্তর আসবে এটা জানতেন প্রণব বসু। কিন্তু এর কাউন্টার করতে হয় অন্যভাবে। পঁয়তাল্লিশ বছরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ জানে কিভাবে হুইলে মাছ ধরতে হয়।কোনভাবে পুলকের কোমর ভাঙতে পারলে রৌনক পাল্টি খাবে সহজেই, সমীকরণ তাই বলে। রৌনকের বাবা দীর্ঘদিন বিক্ষুব্ধ থাকা সত্ত্বেও ছেলের প্রতি তার দলের ভূমিকা ভদ্রলোককে আবার পার্টির অনুগত করে
তুলেছে। সেইসাথে রাজ্য কমিটির স্পেশাল টাস্ক বিষ ফোঁড়ার মত প্রণব বসুর মাথায়। তবুও মুখে সম্প্রীতির হাসি ফুটিয়ে বলল, ‘থাকলে কি করতে!! যারা পালিয়ে গিয়েছিল, ওরা তো তোমাদের দলের-ই। ভেবে দেখো যাদের সাথে দিনভর আড্ডা গল্প করে রৌনক সময় কাটিয়েছে, সে বিপদে পড়তে সবাই পালিয়ে গেল!’
ক্রমশ…..
