ডা চন্দ্রগুপ্ত
সপ্তম পর্বের পর…..
………… রৌনক পুলকের ভাষা বোঝে, হো হো করে হেসে উঠে সবাইকে নিয়ে কলেজে ঢুকে যায়। ওর দেওয়া আজকের খবর অনুযায়ী এবার কলেজ নির্বাচনের ফল যাস্ট উল্টো হচ্ছে। গতবারে ছাত্রদল পেয়েছিল ৬টি আসন। কিন্তু এবারে ছাত্র সংঘই ১০ সংখ্যা পেরোতে পারবে না। তবু হিসেব কষে দেখল যে শাসক দল—লেবার পার্টি ঝামেলা করলেও জেতার সংখ্যায় আসবে না। তার ফলে পুরো জেলার চা দোকানগুলোতে বিতর্কের ঝড় উঠবে,— কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, প্রণব বসু কি
এত সহজে দান ছেড়ে দেবে? উনি হিংসা ছড়ালে অনেক নিরিহ ছেলে মেয়ের ক্ষতি হবে। আর, রাজ্য প্রগতিদলও এমন মজবুত অবস্থায় নেই যে পুলক ব্যাক্ সাপোর্ট পাবে।
কলেজের লএ বসে শ্রেয়াকে এ-কথাই বলছিল রৌনক। দুজনের মনের রসায়নের সুত্রপাত ছাত্র রাজনীতি থেকে। ওদের আলোচনার বিষয়ও অধিকাংশ সময় কলেজ রাজনীতি। দু-একটা ব্যক্তিগত আলোচনাও চলছিল হাতে হাত রেখে। ঠিক সেই সময় শুভম এসে খবর দিল, বিএ ফাস্ট ইয়ারে ছাত্র সংঘ হুমকি দিচ্ছে। আজ ওদের ক্লাস মিটিংয়ে কোন ছাত্র পায়নি। সে রাগে সবাইকে শাশাচ্ছে। মুহুর্তে রৌণক বিএ ফাস্ট ইয়ারের দিকে রওনা দেয়। পেছনে আসতে থাকে শ্রেয়া শুভম। এভাবে ছাত্র সংগঠনের প্রতি মুহুর্তের খবর আসে রৌণকের কাছে। পুলকদাকে শিক্ষাগুরুর থেকেও রাজনৈতিক গুরু মানে। ও কলেজের গ্রুপ-ডি থেকে ক্লার্ক সবাইকে এক সম্মান দেয় রৌনক। গুরু শিখিয়েছে, ‘নেতা হবার আগে ভালো মানুষ হতে হয় রে রৌণক। তাহলে দেখবি ভাল কাজ, ভাল ব্যবহার করার জন্যে অভিনয় করার প্রয়োজন হবে না।’ পুলকদার সব কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে।
ক্রমশ……..
