যাত্রা শুরু ১৯৯৬ সালে। ইরোদ সেনগুন্থার এডুকেশন ট্রাস্ট ইরোদ সেনগুন্থার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন এবং চেন্নাইয়ের আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত এই কলেজকে ইউজিসি ২০১৯-২০ থেকে ২০২৮-২৯ এই ১০ বছরের জন্য আপাতত স্বয়ং স্বাস্থ্য সংস্থার মর্যাদা দিয়েছে।
বিজ্ঞান ও কারিগরি শাখায় এই কলেজে ১৫টি আন্ডারগ্রাজুয়েট ,ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, ম্যানেজমেন্ট ও কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে ৯ টি পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স চালু আছে। এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান কলেজের পক্ষ থেকে সোমনাথ ভট্টাচার্য। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দীপক কুমার, রাহুল কুমার প্রমুখ।
সাংবাদিক সম্মেলনে আরো জানানো হয় কলেজের ৬ টি আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রাম নতুন দিল্লির এনবিএ স্বীকৃত। বর্তমানে কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার । এখানে যেমন তামিলনাড়ু, পন্ডিচেরি, কেরালা , অন্ধ্র থেকে ছাত্রছাত্রীরা আছেন তেমনি কাশ্মীর, বিহার ও মনিপুরের ছাত্র-ছাত্রীরাও এখানে রয়েছেন। আগামী দিনে দেশের সামাজিক ও আর্থিক উন্নতি দিয়ে অংশ নেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ, পূর্ব, উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি থেকেও ছাত্র-ছাত্রীরা বিজ্ঞান ও কারিগরি শাখায় ভর্তি হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প শুরু করেছেন সেই প্রকল্পের সুবিধা এই কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়। বায়োলজি, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এবং ম্যাথ এই চারটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হয়েছে কলেজের তরফ থেকে।
কলেজের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে গত বছর প্রায় ৯৭% প্লেসমেন্ট হয়েছে। কারিগরি এবং বিজ্ঞান শিক্ষাকে আরো প্রবলভাবে প্রসার করতে উদ্যোগী ইরোদ সেনগুন্থার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।