দেশে চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ফারাকের দরুণ ৬০ শতাংশ ভোজ্যতেল আমদানি করতে হয়। এর মধ্যে মোট ভোজ্যতেলের ৫৪ শতাংশই পাম তেল মূলত ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা হয়। অন্যদিকে প্রায় ২৫ শতাংশ সোয়াবিন তেল আমদানি হয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে। সূর্যমুখী তেল আমদানি করা হয় ইউক্রেন থেকে।
তাই, মধ্য মেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে ভোজ্য তেল উৎপাদনে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর দরুণ এ বছর সর্ষে তেল উৎপাদনের পরিমাণ পূর্ববর্তী বছরের ৯১ লক্ষ মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ১০১ লক্ষ মেট্রিক টন হয়েছে।
অপরিশোধিত ও শোধিত পাম তেল আমদানির পরিমাণ গত আগস্ট মাসে দাঁড়ায় ৭ লক্ষ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন। গত জুলাই মাসে আমদানির পরিমাণ ছিল ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন, যা আগস্ট মাসে ৩১.৫০ শতাংশ বেড়েছে।
দেশে ভোজ্য তেল উৎপাদন, আমদানি ও দামের ওপর দৈনিক ভিত্তিতে কড়া নজর রাখা হচ্ছে যাতে ভোজ্য তেলের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। কৃষক, শিল্প সংস্থা ও গ্রাহকদের স্বার্থে ভোজ্য তেল সহ বিভিন্ন ধরনের কৃষিজ পণ্যের মূল্য ও যোগানের ওপর কড়া নজরদারির জন্য খাদ্য দপ্তরের সচিবের পৌরোহিত্যে কৃষিক পণ্য সম্পর্কিত একটি আন্তঃমন্ত্রক কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটি সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ভোজ্য তেল সহ কৃষিজ পণ্যের মূল্যস্তর পর্যালোচনা করে। গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় এবং মূল্যস্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার গত বছর প্রয়োজনীয় সময়মতো পদক্ষেপ নিয়েছে যাতে দেশে ভোজ্য তেল উৎপাদন, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ফারাক ন্যূনতম রাখা যায়।