শুভাবরি ওয়েব ডেস্ক, ২১জুন, কলকাতা:
ইদানীং আয়োগের মুখ দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের নাম করে হচ্ছে বেসরকারি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সরকার বোধ হয় বুঝেই উঠতে পারছেন না কি করবেন। কারণ সরকার বাহাদুরও জানেন, সরকারি ব্যাংক বেসরকারি করে দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে সরকারি প্রকল্প গুলো কারা বাস্তবায়িত করবে? একথা একান্ত আলোচনায় বলছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মী এবং অফিসারদের সব থেকে শক্তিশালী সংগঠন আইবক ও আইনবফের পশ্চিম বঙ্গের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় দাস।

তিনি আরও বলেন, আমি জানি, জনতার কষ্টের পয়সা কারা দায়িত্বের সঙ্গে রাখবে, কারা সরকারকে ডিভিডেন্ড ও ট্যাক্স দেবে? কিন্তু ওদিকে আবার কর্পোরেটরা বায়না ধরেছে কিনবে বলে।কোনদিকে যাবে সরকার!! তাই যথেচ্ছ ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এতে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে।সাধারণ মানুষের আস্থা সরকারের ওপর থেকে চলে যাচ্ছে। নতুন যারা শিক্ষিত যুবক যুবতী ব্যাংকে ঢুকেছেন তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
সঞ্জয়বাবু দাবি করেন, সরকারের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে এই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও প্রায় সব কটি ব্যাংক লাভের মুখ দেখেছে। CRA রেটিংস এর রিপোর্ট অনুযায়ী 2020-2021 আর্থিক বর্ষে সব ব্যাংকগুলোর মিলিত মুনাফার পরিমান 32,848 কোটি।

অতএব, ব্যাংক গুলো দুর্বল তাই বেচে দেওয়া হচ্ছে এটা বলা যাবে না। কোনো একটা রাস্তা খুঁজে বার করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের নাম আসছে। সঞ্জয়বাবু সরকারের এই অভিসন্ধির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে কোনো ব্যাংকের নামই বেসরকারিকরণের জন্য গ্রহণ যোগ্য না। যেকোনো একটি ব্যাংক বেসরকারিকরণের পথে গেলেই সমস্ত ব্যাংক কর্মচারী ঝাঁপানোর জন্য তৈরি হচ্ছে।

সমস্ত সরকারি ব্যাংক একযোগে যে লাভ করেছে তার পেছনে ব্যাংক কর্মচারীদের অবদান অনস্বীকার্য। ব্যাংক কর্মচারীরা অত সহজে তাদের সাধের ব্যাংককে বিক্রি হতে দেবে না।