ডিজিটাল; দেবাঞ্জন দাস; ২৫ এপ্রিল: উদ্বোধন হলো চলচ্চিত্র উৎসবের। ২৭ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব নজরুল মঞ্চ থেকে উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি তার বক্তব্য বলেন,
‘ এই কদিন চলচ্চিত্র উৎসব। সবকিছুরই একটা উৎসব থাকে। উৎসবে মুখরিত, উচ্ছসিত, উল্লাসিত চলচিত্র জগৎ। আলোর জোয়ারে নিজেদের মন খুলে আড্ডা মারবে, আলোচনা করবে, কথা বলবে, ভাববে, চিন্তা করবে আরো ভালো করে কি করে কি করা যায়। সেদিকে লক্ষ্য রাখবে’।
তিনি আরো যোগ করেন, ‘ আপনারা এক্সিবিশন করছেন। যারা আমাদের সিনিয়র যারা মারা গেছেন তাদের কথাও বলছেন, বিশেষ করে সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন, উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং অনেকের। এই মাটিতেই তৈরি হয়েছে পথের পাঁচালী, অপুর সংসার, চারুলতা, মেঘে ঢাকা তারা, যুক্তি-তক্কো আর গপ্প, বহু সিনেমা। আজকের ইয়াং জেনারেশন তারা বহু সিনেমা প্রডিউস করছে তাদের জন্য আমার অনেক অনেক উন্মাদনার আশীর্বাদ থাকবে। বাংলার মানুষের এই উন্মাদনাকে স্বীকৃতি জানাতে ২০১১ সালে যে চলচ্চিত্র উৎসব আন্তর্জাতিক সম্মান হারিয়েছিল আমরা সেটাকে ফিরিয়ে এনেছি। গতবারের কোভিডের মধ্যেও আমরা করেছিলাম। কিন্তু সেটা আমরা করেছিলাম নবান্নের সভাগৃহে’ ।
তার কথায়, ‘ দুদিন আগে বিশ্ব বাংলা কনফারেন্স হল । সবাই বলছিল হবে না। কিন্তু আমি বললাম হবে। সারাক্ষণ করোনার ভয়ে বসে থাকলাম। তাহলে জীবনটাই কেটে যাবে কোভিড করে। কোভিড আসবে লড়াই করতে হবে সেফটি, সিকিউরিটি মেন্টেন করতে হবে। আবার শান্তি সংহতির স্বার্থে সবাইকে নিয়ে লড়তে হবে। বিশেষ করে বাংলা সিনেমার জৌলুস এখন অনেক বেড়েছে। এবং টলিউড। আমি এখনো মনে করি যদি জৌলুস না থাকতো তাহলে বাইরের ৪৭ টি সিনেমা এখানে আসতো। শুধুমাত্র একটি ফিলম ফেস্টিভেলকে কেন্দ্র করে। ১৬৩ টা সিনেমা দেখানো হবে। তার মধ্যে ৪৭ টি বাইরের দেশের। মনে রাখবেন দশটি সরকারি সিনেমা হলে এগুলো দেখানো হবে’ ।
