রাজকুমার শেখ

আজ বেশ ঝলমলে দিন। নাজিম অফিসে। রেশমি দুপুরের খাবার কোনো রকমে দুটো খেয়েই তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়ে কাউকে কিছু না বলেই।

রাস্তায় পা দিতেই ওর মন কেমন করে উঠল। বহুদিন পর সে একা বাইরে বের হল।

সেই কবে সালামত ওকে নিয়ে যেত দূরে কোথাও গাড়ি করে। সেই সব দিন গুলো ছিল

কত আনন্দের। আর আজ সে একা। পাশে সালামত নেই। এমন সময় হঠাৎ একটি অটো

এসে থামে ওর সামনে। রেশমি কোনো দিকে না তাকিয়ে ও উঠে পড়ে অটোতে। অটো

এগিয়ে চলে। রেশমি ওকে ঠিকানাটা বলে দেয় মায়া জুয়েলারির। দুপুরের রাস্তাটা বেশ

ফাঁকাই। অন্য সময় হলে যানজটে আটকে যেত। সময় মতোই ওকে মায়া জুয়েলারি সামনে

নামিয়ে দিল। ও ভাড়া মিটিয়ে দেয়। আজ রোদের তাপ নেই। এমন দুপুর সে কতদিন

দেখেনি। ওর বেশ ভালো লাগছে। ও আস্তে আস্তে মায়া জুয়েলারির ভেতরে যায়। ও

যেতেই সামনে দাঁড়িয়ে ছিল সেই বাসর রাতে দেখা ছেলেটি। রেশমিকে দেখতে পেয়েই

ঠিক চিনতে পেরেছে।