ডা চন্দ্রগুপ্ত
সূর্যোদয়ের পথে পর্ব ১০
১০ তম পর্বের পর…..
খুব নীচু স্বরে ‘দাদা’ তাদের বিচার সভার রায়
ঘোষনা করতে শুরু করলে,
—সমাজে উন্নতি এবং প্রতিবেশীদের সহযোগীতার জন্যে আপনাদের এই সন্মতিকে সংগঠন সাধুবাদ জানায়। রাষ্ট্রশক্তির থেকে জনশক্তি বেশী ক্ষমতাশালী এটা আপনারা বার বার প্রমান করেছেন। কারণ মুষ্টিমেয় মানুষের অথবা কারো একক সিদ্ধান্ত কখনো সর্বজনের উন্নতির আঁধার হতে পারে না। তাকে এক নায়কতন্ত্রই বলা যাবে,— একটু থেমে ‘দাদা’ আবার বলতে থাকলেন, যদিও আমরা যথেষ্ট পরিশ্রমী, তবুও এই শীতকালেই পুকুর খনন কাজ শুরু করুন, কারণ গরমের আগেই তাহলে কাজটা সম্পূর্ণ করতে পারবেন—
কথার মাঝে দাদার পিছনে অস্ত্র হাতে দাঁড়ানো ছেলেটি নীচু হয়ে দাদার কানে কানে কিছু বলল, স্নিগ্ধ চাঁদের আলোতে মানুষটির শান্ত চোখদুটো হিংস্র হয়ে উঠল। কিছুক্ষণ চুপ থেকে ধীরে বলল, তারিণি। ছেলেটি গিয়ে অন্ধকারে দাঁড়ানো তারিণি আর ওর
সঙ্গীদের ডেকে নিয়ে আসল দাদার কাছে।
পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি লম্বা ও ক্ষীণ মানুষটি এবার উঠে দাঁড়ালো। হাতে থাকা একে ৪৭ বন্দুকটি কাঁধে ঝুলিয়ে একটু তফাতে এসে তারিণির সাথে কথা শুরু করল। উপস্থিত মানুষগুলো নিশ্চুপ হয়ে এ দৃশ্য দেখতে থাকল। এতগুলো মানুষ এখানে রয়েছে। কিন্তু শ্বাস প্রশ্বাসের শব্দও যেন বোধ হচ্ছে না কারো।
ক্রমশ……
