ওয়েব ডেস্ক; ১ নভেম্বর : সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘জাতীয় ঐক্য দিবস’ ২০২৬-এ আয়ুষ মন্ত্রক ‘যোগা ফর ইউনিটি’-র বার্তা তুলে ধরছে। এই উদ্যোগে জাতীয় সংহতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সামগ্রিক কল্যাণ সাধনে যোগের ভূমিকা তুলে ধরা হচ্ছে।
‘যোগ ৩৬৫’-র সাথে যুক্ত এই কর্মসূচির লক্ষ্য হল – নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে যোগকে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে উৎসাহিত করা, পাশাপাশি পারস্পরিক একাত্মতার বোধ এবং স্বাস্থ্য ও কল্যাণের প্রতি যৌথ দায়িত্ববোধকে শক্তিশালী করা। আয়ুষ মন্ত্রক সারা দেশে তাদের অধীনস্থ যোগ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা (ন্যাচারোপ্যাথি) প্রতিষ্ঠানগুলিকে এমন সব কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে, যা ‘যোগা ফর ইউনিটি’-র বার্তাকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছে দেবে এবং মানুষের বৃহত্তর অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করবে।
আয়ুষ মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী প্রতাপরাও যাদব বলেন, “সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল তাঁর দূরদৃষ্টি ও দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। জাতীয় ঐক্য দিবসে আমাদের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে তাঁর ঐক্যের বার্তাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যোগ বয়স, অঞ্চল বা পটভূমির ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে একত্রিত করে এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার পথ প্রশস্ত করে। ‘যোগা ফর ইউনিটি’ এবং ‘যোগ ৩৬৫’-এর মাধ্যমে আমরা প্রতিটি নাগরিককে যোগকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে এবং একটি স্বাস্থ্যকর ও ঐক্যবদ্ধ ভারত গঠনে অবদান রাখতে উৎসাহিত করছি।”
এই প্রচারে জোর দেওয়া হয়েছে যে, যোগ কেবল কোনও নির্দিষ্ট দিন বা অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একে একটি সুস্থায়ী দৈনন্দিন অভ্যাস হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে, যা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় এবং সামাজিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করে। সম্মিলিত যোগাভ্যাস এবং মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে স্বাস্থ্যসেবা ও সুস্থ জীবনযাত্রার সাথে যুক্ত করতে সাহায্য করবে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মন্ত্রক অধীনস্থ যোগ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা (ন্যাচারোপ্যাথি) প্রতিষ্ঠানগুলিকে এমন সব কর্মসূচির জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা নিয়মিত যোগাভ্যাস, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং যোগের সুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এই প্রচারে ‘যোগ ৩৬৫’-কে একটি উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হবে, যার লক্ষ্য হল, কেবল বিশেষ দিবসগুলির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সারা বছর ধরে যোগের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা বজায় রাখা।
‘যোগা ফর ইউনিটি’-র মাধ্যমে আয়ুষ মন্ত্রক সুস্থ জীবনযাপন ও সামগ্রিক কল্যাণের জন্য যোগকে একটি সহজলভ্য চর্চা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে। একই সঙ্গে, এটি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের পরিকল্পিত জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াসও বটে।
