ওয়েব ডেস্ক; ২৭ এপ্রিল : ভারতের নির্বাচন কমিশন ১৫ই মার্চ, আসাম, কেরল, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভাগুলির সাধারণ নির্বাচন এবং উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারগুলিকে আদর্শ আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
কমিশন নির্বাচনমুখী রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং সেগুলির সীমান্তবর্তী রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মুখ্য সচিব, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট বা প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধানদের সাথে একাধিক পর্যালোচনা বৈঠক করেছে এবং তাঁদের একটি হিংসামুক্ত, ভীতিমুক্ত ও প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, রাজ্যজুড়ে ২,৭২৮টিরও বেশি ‘ফ্লাইং স্কোয়াড টিম’ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে প্রাপ্ত অভিযোগগুলির নিষ্পত্তি ১০০ মিনিটের মধ্যে করা সম্ভব হয়। এছাড়া, বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক নাকা-চেকিং বা তল্লাশি চৌকি স্থাপনের জন্য ৩,১৪২টিরও বেশি ‘স্ট্যাটিক সার্ভিল্যান্স টিম’ মোতায়েন করা হয়েছে। অবৈধ মদের উৎপাদন, মজুত এবং বিতরণের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
২৬শে ফেব্রুয়ারি, ‘নির্বাচন বাজেয়াপ্তকরণ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা’ চালু হওয়ার পর থেকে, ২৭শে এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ৩০ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ৪৮,৪৬,১৮৩ লিটার মদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে, যার বাজার মূল্য ১২৬.৮৫ কোটি টাকা। এছাড়াও, ১১০.১২ কোটি টাকার মাদক ৫৮.২৮ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতুর পাশাপাশি, আরও ১৮৪.৮৫ কোটি টাকার অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ৫১০.১০ কোটি টাকার বেআইনি পণ্য বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৩৩৯ কোটি টাকার বেআইনি পণ্য।