ওয়েব ডেস্ক; ৩০ জানুয়ারি : ২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে নিউ জিল্যান্ড, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, কানাডার মতো দেশগুলির তুলনায় চলতি খাতে ঘাটতিতে ভারত ভাল অবস্থানে। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম রেমিট্যান্স গ্রাহক হিসেবে রয়ে গেছে ভারত, ২৫ অর্থবছরে দেশে আসা অর্থের পরিমাণ পৌঁছেছে ১৩৫.৪ বিলিয়ন ডলারে। দক্ষ এবং পেশাদার কর্মীদের উত্তরোত্তর রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ফলে ভারতের এই অগ্রগতি।

২৫ অর্থবছরে ভারতে মোট লগ্নির পরিমাণ জিডিপি-র ১৮.৫ শতাংশ। ইউএনসিটিএডি তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় মোট এফডিআই-এর পরিমাণে ভারত ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনামেরও আগে। গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ ঘোষণায় সারা বিশ্বে ভারত চতুর্থ। ২০২০ থেকে ২৪-এ ১০০০-এর বেশি প্রকল্প বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে। এর আর্থিক পরিমাণ ১১৪ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫-এর এপ্রিল থেকে নভেম্বরে এফডিআই এসেছে ৬৪.৭ বিলিয়ন ডলার।

ভারতের বিদেশী মুদ্রার ভাণ্ডার ২০২৬-এর ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০১.৪ বিলিয়ন ডলার। যা দিয়ে প্রায় ১১ মাসের রপ্তানির খরচ এবং ২০২৫-এর সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত বকেয়া বৈদেশিক ঋণের ৯৪ শতাংশ মেটানো যাবে।

পয়লা এপ্রিল ২০২৫ থেকে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মার্কিন ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার অবমূল্যায়ন ঘটেছে মোটামুটি ৫.৪ শতাংশ।

২০২৫-এর সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত ভারতের বহির্দেশিয় ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৪৬ বিলিয়ন ডলারে। জিডিপি এবং বৈদেশিক ঋণের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১৯.২ শতাংশ, ভারতের মোট ঋণের ৫ শতাংশেরও কম বৈদেশিক ঋণ।

অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে ভারতের রপ্তানি ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামুখিনতা বাড়ানোর জন্য উৎপাদন খরচ কমানো জরুরি।