ওয়েব ডেস্ক; ২৭ মে: কেন্দ্রীয় সরকার, জাতীয় ক্রীড়া শাসন আইন, ২০২৫-এর আওতায় ‘জাতীয় ক্রীড়া শাসন (জাতীয় ক্রীড়া পর্ষদ) বিধি, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় ক্রীড়া শাসন (জাতীয় ক্রীড়া ট্রাইব্যুনাল) বিধি, ২০২৬’ বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করেছে।

‘জাতীয় ক্রীড়া শাসন (জাতীয় ক্রীড়া পর্ষদ) বিধি, ২০২৬’-এ পর্ষদের গঠন, সভাপতি ও সদস্যদের কার্যকাল, বেতন, ভাতা এবং চাকরির অন্যান্য শর্তাবলী, সেইসঙ্গে পর্ষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলীর বিধান রয়েছে।

এই বিধি অনুসারে, জাতীয় ক্রীড়া পর্ষদ একজন সভাপতি এবং দুইজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে। এদের ‘জাতীয় ক্রীড়া পর্ষদ (অনুসন্ধান-সহ-নির্বাচন কমিটি) বিধি, ২০২৬’-এর অধীনে গঠিত অনুসন্ধান-সহ-নির্বাচন কমিটির সুপারিশ করা নামের তালিকা থেকে কেন্দ্রীয় সরকার নিযুক্ত করবে।

জাতীয় ক্রীড়া পর্ষদ, জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে স্বীকৃতি প্রদান করবে এবং শাসনতান্ত্রিক, আর্থিক ও নৈতিক মানদণ্ডের প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিচালনা (জাতীয় ক্রীড়া ট্রাইব্যুনাল) বিধি, ২০২৬-এ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারপার্সন ও সদস্যদের কার্যকাল, তাঁদের নিয়োগ ও পুনঃনিয়োগ প্রক্রিয়া, বেতন ও ভাতা, চাকরির শর্তাবলী এবং ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই বিধিতে ডিজিটাল বাস্তবায়নের জন্য প্রযুক্তিগত-আইনি ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিরোধ, নোটিশ, জবাব, নথি এবং ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ পোর্টালের বিজ্ঞপ্তি জারি এর মধ্যে রয়েছে। সেইসঙ্গে ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে যোগাযোগ, আদেশ প্রকাশ, ভার্চুয়াল শুনানি এবং কার্যধারা ও আদেশ সম্পর্কিত রেকর্ড সংরক্ষণও এর আওতার মধ্যে পড়ে।

জাতীয় ক্রীড়া ট্রাইব্যুনাল দেশে ক্রীড়া-সম্পর্কিত বিরোধের জন্য একটি বিশেষ বিচারিক সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। এর লক্ষ্য হলো দেওয়ানি আদালতের উপর নির্ভরতা কমানো এবং ক্রীড়া পরিচালনা ও প্রশাসন সম্পর্কিত বিরোধের স্বাধীন, দ্রুত, কার্যকর ও সাশ্রয়ী নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা।

এই ট্রাইব্যুনাল মামলার সংখ্যা কমাবে এবং ক্রীড়া বিরোধের দ্রুত, সহজ ও সহজলভ্য সমাধানের জন্য একটি এক-জানালা ব্যবস্থা প্রদান করবে বলেও আশা করা হচ্ছে।