ধ্রুব দে

চতুর্থ পর্বের পর……..

দেখে মিতু দৌড়ে আসে। মিতুর দিক-বিদিক শূন্যে দৌড় দেখে থমকে গেল। পা আর উঠল না। এ রাস্তায় বাস,

মোটর না চললেও সাইকেল, রিকশার কোনও বিরাম নেই। ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়য় বাইক-স্কুটি। কিছু ঘটে গেলে! অশোকের ক্ষুধা তৃষ্ণা মুহূর্তে উধাও।

কলি বড্ড উদাসীন। অশোক ভাবল, না বড় বেশি নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। মেয়েটার প্রতিও ঠিকঠাক নজর নেই। ঘরের কাজ বলতে গেলে কিছুই করতে হয় না। অর্ধেক রান্না পাশের বাড়ি থেকে ওর মা করে পাঠায়। বাড়িতে কাজের লোক মজুত। ওর কাজ কি? ও বাড়ি গিয়ে মার পিছনে ঘুরঘুর করা। এদিকে নিজের সংসার, নিজের মেয়ে জাহান্নামে যাক। এমন তালকানা বউ নিয়ে সংসার চলে না। বড়লোক বাড়ির ছেলে হয়তো এসব কারণে ঘর ভেঙেছে। বিয়ে ভেঙেছে শেষ মুহূর্তে!

চাকরি নিয়ে এসে কলিদের বাড়িতেই উঠেছিল অশোক। বাইরের দিকে একটা ঘর খালি পড়ে ছিল তাই স্কুল সেক্রেটারির কথা ফেলতে পারেনি কলির বাবা। কলি তার একমাত্র মেয়ে, নেহাতই বাচ্চা, ফ্রক পরে। বাচ্চা আর ধিঙ্গি, গ্রামের কেচ্ছা রটাবার লোকের অভাব নেই। তাছাড়া জোয়ান ছেলে-কার মনে কি আছে কেউ জানে না। কলির বাবা গ্যাঁটের পয়সা খরচা করে বার ঘরের যাতায়াতের রাস্তা, পায়খানা-বাথরুম আলাদা করেছিল।

ক্রমশ…..