ডা চন্দ্রগুপ্ত

২৪ তম পর্বের পর……

দৌড়ে গিয়ে

বন্ধ কলেজ গেটের সামনে দাড়ালো পুলক।

রাস্তার অন্যফুটে তখন শ্মশানের স্তব্ধতা। পুলিশের · ঘেরাটোপে দাঁড়িয়ে প্রণব বসু, কানাই এবং ওদের সদস্যরা। ঘড়ির টিক্‌টিক্ শব্দও এখন শুনতে পাচ্ছে প্রণব বসু, নাকি হৃদপিন্ডের শব্দ! লাঠি আর ঢাল হাতে পুলিশ কর্মীরা যেন যুদ্ধের প্রতিক্ষায়। উত্তেজনা তুঙ্গে দুদিকেই।

ঘটাং শব্দে কলেজের গেট খুলল। হলুদ আবিরে মাখা মাখি ছাত্রদের কাঁধে চড়ে বেড়িয়ে এল রৌনক দত্ত। পুলককে পাশ কাটিয়ে রাস্তা অন্য ফুটে দাঁড়ানো প্রণব বসুকে প্রণাম করল রৌনক। পাশে আবির মাখা ৫০-৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী।

ঘটনার আকস্মিকতায় সেদিন রাতেই সাংঘাতিক অসুস্থ পুলককে ছাত্রদলের সদস্যরা হসপিটালে ভর্তি করে। দশদিন থাকতে হয়েছিল। ততদিনে সবাই জেনে গিয়েছে যে রৌনক গোপনে ছাত্রদলের সব সদস্যদের ছাত্রসংঘে জয়েন করিয়েছিল, আর ওর ব্রেইন ওয়াশ করেছিল প্রণব বসু। ফলে আন্কনটেষ্ট এ কলেজ সংসদ দখল করেছে ছাত্রসংঘ। ওদিকে লেবার পার্টির অনুমতি ক্রমে দুলালকে সরিয়ে রৌনক দত্তকে প্রথা ভেঙে লোকাল সেক্রেটারি পদের জন্য নমিনেশন— সিলমোহর দিল প্রণব বসু।

সমাপ্ত ….