রিমা বিশ্বাস
ষষ্ট পর্বের পর…..
মালাদিদের বাড়িতে ঢুকতে ওদের একতলার বারান্দায় একটা চওড়া দোলনা ঝোলানো। সেখানেই চোখটা আটকাল রূপালীর। দোলনায় বসে যে দোল খাচ্ছে তাকে আজ থেকে বছর তেরো চোদ্দ আগে এক বাগানে এভাবেই দোল খেতে দেখেছিল রূপালী। সে ব্যক্তি দোলনা থেকে নেমে এগিয়ে এল ওর দিকে—‘রূপালী… রাইট!’ রূপালীর বুকের রক্ত স্রোত ছলাৎ ছলাৎ ধাক্কা দিচ্ছে। কপালে ঘাম। পা দুটোও কাঁপছে। ধীর স্বরে বললো— ‘রূপঙ্কর।
মালাদি ঘর থেকে বেরিয়ে এল – “ওমা তোরা এখানে আয়! রূপঙ্কর এই দেখ এই হল রূপালী! ভীষণ…’ মালাদির মুখের কথা কেড়ে নিল রূপঙ্কর—’ ও আমার থেকে এক বছরের জুনিয়ার। আমরা একই কলেজে ছিলাম! মালাদি চোখ বড় করল –‘সে কি রে! তোরা চিনিস একে অপরকে!’
—’ইয়েস!’
–‘তবে তো ভালোই হল। এবার কথা বল! মালাদি ওদের দায়িত্ব ওদের উপর দিয়ে ভিতরের ঘরে চলে গেল। রূপঙ্কর বললো—‘বউদির থেকে কিছুটা শুনেছি। তখন জানতাম না উনি তোমার কথা বলছেন।’ রূপালী কি বলবে কিছুই বুঝে পাচ্ছে না। অতীত বর্তমান মিলে মিশে টোটালি কনফিউজ ।
ক্রমশ……
