পপি পারমিতা (ঢাকা, বাংলাদেশ)
পঞ্চম পর্বের পর……
বড্ড ক্লান্ত রতন। বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছে সেই কখন। ঘড়িতে রাত দুটো। সে বাড়ি ফিরেছে সন্ধারাতে। এতোক্ষণ তবে সে কোন সেই অতল অন্ধকারে ডুবেছিল। আজ সারা শহর জুড়ে পূর্ণিমার আলো। আমার ঘরে কই! আমার চাঁদটা বিদ্যুতের খুঁটিতে গেঁথে গেছে। ঘোর অমাবস্যা আমার গৃহে।
সময় ছেড়েছে হাত
বারবার করে কেঁদে ফেলল রতন। মুছে দিয়ে যত সুখানুভূতি দুঃখ করেছে বাজিমাত। আজও নিত্য রক্ত ঝড়ে সময়ের গা বেয়ে পারুল ফুলের অবেশে শুধু তরজমা করে। স্পর্ধা আজও স্পর্শ নিতে চায় চঞ্চল সে চোখে স্পর্শ অবিরত মন শুধু সেদিক পানে ধায়।
বিড়বিড় করে রতন প্রিয় কবিতাখানা আওড়ায়। চোখের জলে যেন মুছে যাচ্ছে অনেক কিছু। কিছু স্মৃতি, কিছু চরিত্র। কষ্টগুলো দাগ কেটে রয়, কষ্ট দাতাকে ভুলে যায়। কবিতা মনে গেঁথে রয়, কবিকে ভুলে যায়। ও হ্যাঁ, মনে পড়েছে, কবিকেও মনে পড়েছে। রতনের কবি বন্ধু ডাঃ চন্দ্রগুপ্ত।
তাঁকে প্রথমবার দেখার পর যে আমার বুকের ভেতর এক সৌধ গড়ে ওঠে। এক ভাস্কর্য স্থাপিত হয় সেটি আজও দৃশ্যমান।
ক্রমশ…….
