প্রিয়ম্বদা প্রিয়া
দ্বিতীয় পর্বের পর……
… কমলা গার্লসের টিচার!’ গাড়ির দরজা বন্ধ করে হাঁটা দিল প্রীতি। গাড়ি ঘোরালো অরিন্দম। প্রীতি বলল মৈত্রী খুউবইই ভালো আছে! কি করে ভালো থাকবে! অরিন্দমকে সম্পূর্ণ ভুলে গেছে কি ও, যে অরিন্দমকে একটা সময় পাগলের মতন ভালো বাসত। কলেজ ক্যাম্পাসে, লাইব্রেরীতে, ক্লাসরুমে সব জায়গায় গায়ে গা ঘেঁষে ঘুরে বেড়োচ্ছে দুজনে। সবাই বলত ওদের কখনো ঝগড়া হয় না। একবার প্রীতি বলেছিল, ‘সারা দিন কেউ কারো সঙ্গে বলতে পারবি না। এটা তোদের চ্যালেঞ্জ!’ পারেনি অরিন্দম। পারত হয়ত, কিন্তু মৈত্রীও তো শেষমেষ পারল না।…’ না আমি পারব না! অরির সঙ্গে কথা না বলে থাকতে পারব না।’ চব্বিশ ঘণ্টায় কত বার ফোন, কলেজে এলেই অরি অরি শুরু। দেখতেও তখন বেশ ছিল মৈত্রীকে! ফরসা রোগাটে চেহারা এক মাথা চুল এখন কেমন দেখতে হয়েছে কে জানে! বিয়ে করেছে কি? তা তো জিগ্যেসা করা হল না। কোন স্কুলে যেন বলল… ‘কমলা গার্লস! কাল একবার যাবে নাকি ওর স্কুলে। অঞ্জনার কাছে কোনো দিনও অরিন্দম ভালোবাসা পাবে না, ঐ মেয়েটা ভালোবাসতে জানেও না। অরিন্দমের তখন টাকার লোভ। ভালো স্টুডেন্ট। চাকরিও হয়ে গেল দীব্যেন্দু রায়ের কোম্পানিতে। বিদেশে এম.বি.এ করবার লোভ দেখাল শর্ত অঞ্জনাকে বিয়ে করতে হবে।
ক্রমশ…….
