প্রিয়ম্বদা প্রিয়া

চতুর্থ পর্বের পর……

বিয়ের পরের ঘটনা ছিল। তারপর দিনে দিনে অরিন্দম সহ্যই করে গেছে। অঞ্জনার কাছে কোনো প্রেম-সমবেদনা পায়নি কোনো ব্যাপারে। বিয়ের পাঁচ বছর হল একটা ছেলেও হয়েছে, ছেলের বয়স চার। বাবার বাড়ির দিকের কাউকেই চেনে না। অরিন্দমের দিদি আছে, ভাই আছে, আরো কত জ্ঞাতি গোষ্ঠি। ঘরের লাইট জ্বালতে কপালে ভাঁজ পড়ল অরিন্দমের… ‘লাইট জ্বালালে কেন? ‘অঞ্জনার গলার স্বর কর্কশ… ‘আজ মিসেস বোসের বুটিকের ইনোগোরেশন ছিল তোমার যাওয়ার কথা ছিল কোথায় ছিলে?’

‘খেয়াল ছিল না! একবার ফোন করতে পারতে!’

‘মাই ফুট! আমি কি তোমার সেক্রেটারি! এত গুলো লোকের সামনে আমায় এমব্রাসড হতে হল! আমার বাবা আমার সর্বনাশ করল তোমার মতন গাওয়ারের গলায় বেঁধে।’ উঠে বসল অরিন্দম মাথা দপদপ করছে দু আঙুলে মাথার রগ টিপতে টিপতে বলল… ‘উনি ব্যবসাদার বলেই আমায় বেছেছেন নইলে তুমি যার কপালে যেতে সে একদিনে ডিভোর্স গছিয়ে দিত।’ অট্টোহাস্যে ফেটে পড়ল অঞ্জনা… ‘এত সাহস বেড়েছে তোমার? তুমি জান আমি তোমায় ডিভোর্স দিলে তোমার চাল চুলো থাকবে না! নেহাত বাবাইটার কথা ভেবে তোমায় টলারেট করছি। ব্লাডি চিপ মাইন্ডেড ফেলো! মিডিল ক্লাস!’ গট মট জুতোর শব্দে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল অঞ্জনা। শরীরটা নেতিয়ে পড়ল বিছানায়। অঞ্জনার এইরকম ব্যবহারটাই ওর স্বভাব হিসেবে মেনে নিয়েছে অরিন্দম। অরিন্দম কি সন্তুষ্ট!

ক্রমশ……