পপি পারমিতা ( ঢাকা , বাংলাদেশ)
সপ্তম পর্বের পর……
রতন যায়নি পারুলকে আনতে। পারুলকে রেখে গেছেন পারুলের বাবা।
ওদের সংসার আবার নতুন করে শুরু। রতন মেতে থাকে সর্বক্ষণ একমাত্র সন্তান জ্যোতিকে নিয়ে। মেয়েটি চোখের সামনে বড় হচ্ছে। বাবা মেয়েতে বন্ধুত্ব বাড়ছে। মা মেয়ের জন্য নতুন গাড়ি কেনা হলো, মেয়েকে স্কুলে আনা নেওয়ার জন্য পারুলকে এখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য সার্বক্ষনিক ড্রাইভার রাখা হল।
স্বামীর দায়িত্ব মন থেকে পালন করতে চাইল রতন। স্ত্রীর ভালো লাগাগুলোর দিকে নজর দিয়েছে সে এখন। পারুল পছন্দ করে শপিং করতে, বিউটি পার্লারে নিয়মিত যেতে। আর পছন্দ করে বৃষ্টি দেখতে। একদিন জানলায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছিল পারুল। উচ্ছ্বল সুরে বলে উঠল।
রোদ বৃষ্টি একসঙ্গে হয় খেঁক শেয়ালের বিয়ে হয়।
জানো রতন, বৃষ্টিও ঝরে আবার রোদও থাকে তখন নাকি শেয়াল পন্ডিতের বিয়ে হয়। কথাটি বলেই একটি হাসি ঝুলিয়ে রাখল ঠোঁটের কোনে পারুল। যে হাসিটি বহুবার হাসতে দেখেছে পারুলকে রতন।
রহস্যময় হাসি, ধূর্ত হাসি। শেয়াল যেমন ধূর্ত প্রানী। পারুলের হাসিমাখা মুখটি এই মুহূর্তে রতনের বুকে ধক করে উঠল। বিয়ের বারো বছরেও রতন পারুলকে ঠিক বুঝে উঠতে পারেনা, সংসারে নয়, শয্যায় চিনেছে রতন পারুলকে। পারুল খুবই কামুক। পারুল যে কামুক, এটা চিহ্নিত করতে পারুলই সাহায্য করেছিল রতনকে।
