পপি পারমিতা ( ঢাকা , বাংলাদেশ)

নবম পর্বের পর……

গাড়িটি নিয়ে এসেছে ড্রাইভার আনোয়ার। ধূর্ত আনোয়ার গাড়িতে তেল ভরতে নয়, বিক্রি করার জন্য এসেছে। সে প্রায়ই এ কাজটা করে। গাড়ির তেল পাম্পে এসে বিক্রি করে যায়। পকেটে বাড়তি টাকাটা আসে। মালিক আজ অবধি টের পায়নি পুরনো ড্রাইভারের চুরি। এখানে তো তেল চুরি নয় শুধু, এটা হচ্ছে বিশ্বাসের ঘরে চুরি।

আনোয়ার ড্রাইভারের মোবাইল

ফোনটি পকেটভর্তির এই সুসময়েই বেজে উঠল। মোবাইলখানা পকেট থেকে বের করতেই মুখে একখানা সুখের হাসি ফুটে উঠল। ম্যাডামের ফোন। পকেট ভরেছে। এবার দেহ মন ভর্তি করার পালা। তেলের কাজটা শেষ করেই ধূর্ত আনোয়ার গাড়ি উর্ধ্বগতিতে ছুটে চলল রতনের বাড়ির উদ্দেশ্যে।ইদানীং রতনের মোবাইল প্রায়ই একটি নাম্বার থেকে ফোন আসে। অপরিচিত। নারীকণ্ঠ। ঠিক একই সময় আসে ফোনটা।হ্যালো, আপনাকে আমি চিনি, আমাকেও হয়তো দেখলে চিনবেন। আমি আপনার সাথে কিছু ব্যক্তিগত কথা বলতে চাই।বেশ সন্দেহজনক। রতন পাত্তা দেয়নি। এ বয়সেএসব ভালো লাগে না। লুকোচুরি, পরকীয়া ব্যাপারটারতন একেবারেই মেনে নিতে পারে না, প্রেম ভালোবাসা হবে স্বর্গীয়। এতে ধোঁকা কেন থাকবে!

ক্রমশ…..