প্রিয়ম্বদা প্রিয়া
পঞ্চম পর্বের পর……
ওর ব্যাঙ্ক, গাড়ি বাড়ি এত বড় কোম্পানির ও লেজ। মাথা শরীর দুই অঞ্জনা ও শুধু ওদের পিছন পিছন দুলে দুলে যাবে সারা জীবন। তবে মৈত্রীও সুখে নেই নিশ্চয়ই। প্রীতি আর মৈত্রী সেই কলেজের বন্ধু প্রীতির খুউবইই বলাটা শুধুই কথা শোনানোর ধরণ ছিল না মৈত্রী সত্যি ভালো আছে!
6
বিকেলের লালচে রোদ উঁচু উঁচু বিল্ডিংয়ের ফাঁক দিয়ে রাস্তায় এসে পড়েছে। এসি গাড়ি রাস্তার উপর ছুটিয়ে চলেছে অরিন্দম। আজ মৈত্রীর স্কুলের সামনে অপেক্ষা করবে। ছুটির সময় নিশ্চয়ই দেখা হবে। গিয়ার বদলে গাড়ি ঢোকাল মেন রাস্তার বা দিকের গলিতে। চওড়া রাস্তা দুপাশে ফ্ল্যাট বাড়ি নীচে দোকান পাট কিছুটা যেতেই কমলা গার্লস স্কুল। সামান্য একটা ছোট আধা সরকারি স্কুল। এই স্কুলে পড়িয়ে কত টাকা পায় মৈত্রী। অরিন্দমের ইমপোরটেড স্যু, ওর ফাইন মেটোরিয়ালের প্যান্ট শার্টের যা মূল্য তাতে বোধ হয় ওর পুরো মাসের খরচ হয়েও কিছু টাকা বেঁচে যাবে। নিজের পজিশন আর লাইফ স্টাইল মনে করে খুব গর্ব হল। গাড়ি থেমেছে স্কুলের সামনে। সাইকেল ঠেলে ঠেলে কয়েকজন পড়ুয়া বেরুচ্ছে। একটা দুটো পুল কারও দাঁড়িয়ে। ঘড়িতে চারটে বাজে। সব ছাত্রীরা বেরবার পর হয় টিচাররা বেরোয়। এর মধ্যে দুজন মহিলাকে বেরতে দেখল। দেখে তো টিচারই মনে হল। উদ্বেগের সঙ্গে চোখ স্থির রেখেছে অরিন্দম।
ক্রমশ…..
