পপি পারমিতা ( ঢাকা, বাংলাদেশ)
১৩ তম পর্বের পর…..
তাদের দৈহিক অবয়ব কিছুটা দীর্ঘ, কণ্ঠ ও গ্রীবাদেশ। বাক্যলাপে পটিয়সী। পরপুরুষের সঙ্গে রংঢং এবং আলাপ করতে লজ্জার বালাই নেই। স্বামীর অনুগত হলেও পরপুরুষের প্রতি আসক্তও হয়। তাদের হাসি উচ্চ
আওয়াজ হয়ে থাকে। এরা অনেকটা সাহসী এবং ঝোঁকের বসে অসম্ভব কাজও করে ফেলতে পারে। এদের ক্ষুধা তৃষ্ণা বেশি। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই বেশি পানাহার করে এবং অধিক মিষ্টি খেতে ভালোবাসে। তাদের গমনাগমন কালে পদ শব্দ উত্থিত হয়। চলবার কালে এরা দু’পার্শ্বে এবং এদিক ওদিকে দৃষ্টিপাত করে। এরা অনেকটা কামাতুর এবং শ্লথ চরিত্রা হয়ে থাকে। সমাজে পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে অঘটনগুলো ঘটে অনুসন্ধানে দেখা যায় তা এই শ্রেণির নারীগনই বেশি জড়িত। এরা তুলনামূলক অধিক নিদ্রা যায়। তাদের স্বভাব সারল্য অপেক্ষা কপটতা বেশি। এরা ভরন-পোষনে স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বচ্ছলতার জন্য বেশি লালায়িত।
আর তা লাভের জন্য অন্যায় পথ অবলম্বনে দ্বিধাবোধ করে না। এ উদ্দেশ্যে তারা স্বামীকেও অতিষ্ট করে তুলে। এ শ্রেণির নারীগনকে বিবাহ করে কেউ কোনোদিনই পূর্ণ সুখী হতে পারেনি।
ক্রমশ…..
