ডিজিটাল; ২ এপ্রিল:

অভিদীপ্তা ll “বিলাসিতার নতুন পথ” বাংলার একটি ৪৭ তলা স্বপ্নের প্রকল্প।

পিয়ারলেস হাউজিং ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ইএম-এর সবচেয়ে লম্বা প্রকল্প।

বাইপাস এবং শহরের সমস্ত নেতৃস্থানীয় হাসপাতাল দ্বারা বেষ্টিত ।
২রা এপ্রিল বেঙ্গল পিয়ারলেস দ্বারা মহামারী পরবর্তী জীবনের দিক এবং রিয়েল এস্টেট বিকাশের তাত্পর্যের উপর একটি প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।

বেঙ্গল পিয়ারলেসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সৌরভ গাঙ্গুলী উপস্থিত ছিলেন । এছাড়া ডাঃ সুজিত কর পুরকায়স্থ (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট এবং এমডি পিয়ারলেস হাসপাতাল) ,ডাঃ দেবরাজ দে পুরকায়স্থ (মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট কাম আইসিইউ ইনচার্জ ডিভাইন নার্সিং হোম এবং অ্যাপোলো জেনারেল হাসপাতালে), ডাঃ শুভ্রজ্যোতি ভৌমিক (ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ফর রিসার্চ অ্যান্ড একাডেমিকস ডিপার্ট পিয়ারলেস হসপিটাল) এবং কেতন সেনগুপ্ত সিইও বেঙ্গল পিয়ারলেস হাউজিং ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড প্যানেল ডিসকাশনের উপস্থিত ছিলেন।

এদিনের প্যানেল ডিসকাশন এর মূল বিষয়বস্তু হিসেবে এসেছে মহামারী পরবর্তী সময়ে মানুষের জীবনযাত্রা এবং তার থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার উপায়।
ডাক্তার বাবুদের মতে, খোলামেলা জায়গা যেখানে হাঁটাচলা থেকে শুরু করে ব্যয়াম ভালোভাবে সারা যায়। এছাড়া করোনাকালে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি আমাদের কাছে ধরা দিয়েছে তা হলো সেফ হোম। তার সাথে সূর্যের আলো এবং উপযুক্ত ভেন্টিলেশন। ডাক্তার বাবুদের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ ভিটামিন ডি কম থাকার কারণে রোগগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সূর্যের আলো আমাদের শরীরের পক্ষে বিশেষ উপযোগী। ভিটামিন ডি এর জন্য দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
উপস্থিত বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট এবং বেঙ্গল পিয়ারলেসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সৌরভ গাঙ্গুলী বলেন, আমাদের নিজস্ব ঘর বা বাড়িগুলো জীবনে বাকি সবকিছু থেকে অনেক বেশি। করোনাকালে বহু মানুষ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করিয়েছেন এবং সুস্থ হয়েছেন। মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা সম্পূর্ণরূপে নিজের ওপর। জীবনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চাপ আসবে কিন্তু সেখান থেকে কিভাবে বের হব এটা আমাদেরই ঠিক করতে হবে। জীবন যখন শুরু হবে তখন ভালো করে গঠন করতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক বিকল্প বেছে নেওয়া এক সঠিক মানুষের চিহ্ন।