ডিজিটাল; ২৬ এপ্রিল: নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই), গুজরাট এটিএস – এর আধিকারিকদের সঙ্গে যৌথভাবে কান্দলা বন্দরে আমদানি করা একটি পণ্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। উত্তরাখন্ড-ভিত্তিক একটি সংস্থা ইরানের বান্দের আব্বাস বন্দর থেকে ঐ পণ্য আমদানি করছিল। আমদানি করা চালানের মধ্যে ১৭টি কন্টেনার রয়েছে। এর মোট ওজন ৩৯৪ মেট্রিক টন। উত্তরাখন্ডের সংস্থাটি জানিয়েছিল, তারা জিপসাম পাউডার আমদানি করছে।
এ পর্যন্ত কন্টেনারগুলি থেকে ২০৫.৬ কেজি হেরোইন উদ্ধার হয়েছে। এর বাজারদর ১৪৩৯ কোটি টাকা। বন্দরে এই চালানটির আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
তদন্তের সময় উত্তরাখন্ডের ঠিকানায় আমদানিকারককে পাওয়া যায়নি। এরপর, দেশ জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। আমদানিকারক তার অবস্থান দ্রুত পরিবর্তন করছিল। শেষ পর্যন্ত পাঞ্জাবের একটি ছোট্ট গ্রামে তার সন্ধান মেলে। আমদানিকারক বিপদ বুঝে পালানোর চেষ্টা করলে ডিআরআই আধিকারিকরা তাঁকে আটক করে।
এ পর্যন্ত তদন্তে জানা গেছে, ডিআরআই ঐ আমদানিকারককে ১৯৮৫ সালের এনডিপিএস আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করেছে। ২৪শে এপ্রিল অমৃতসরে স্পেশাল ডিউটি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আমদানিকারককে হাজির করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট ভূজের আদালতে আমদানিকারককে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।
