ওয়েব ডেস্ক; ২৯ জানুয়ারি : কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা পেশ করেন। এই সমীক্ষায় বলা হয়েছে ২০২৩ এবং ২০২৪ এর মতো এ বছর গ্রামীণ অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পায়নি, বরং তা ছিল নিম্মমুখী। শহরাঞ্চলের মুদ্রাস্ফীতির তুলনায়ও এই হার ছিল কম। ২০২৫ সালে খাদ্য সংক্রান্ত মুদ্রাস্ফীতি যেমন কম ছিল, পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জাতীয় প্রবণতার সঙ্গে রাজ্যগুলিরও মুদ্রাস্ফীতির প্রবণতা একই ছিল। তবে কেরালা এবং লাক্ষ্মাদ্বীপে এই প্রবণতা বিপরীত ছিল। এই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে খুচরো পণ্যের মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশ অতিক্রম করে যায়।
রাজ্যগুলির মুদ্রাস্ফীতি মূলক স্থানীয় স্তরের জিনিসপত্রের দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে কোনও কোনও রাজ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার জাতীয় হারের তুলনায় বেশি ছিল। কোথাও আবার এই হার ছিল কম। যেমন দক্ষিণ ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল বেশি। অন্যদিকে দিল্লি ও হিমাচল প্রদেশে এই হার ছিল কম। জিএসটি প্রয়োগের ফলে রাজ্যস্তরে মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
