ওয়েব ডেস্ক; ৩০ জানুয়ারি : সংসদে ২০২৫-২৬-এর অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করে কেন্দ্রীয় অর্থ ও কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেছেন, পিএলআই কর্মসূচি বড় বড় স্মার্টফোন কোম্পানিগুলিকে ভারতে কারখানা গড়তে উৎসায়িত করেছে। ভারতে ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর স্বপ্নের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রোডাকসন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (পিএলআই) কর্মসূচি শুরু হয়েছিল ২০২০-তে। এখন এটির সুবিধা মেলে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে। এর আর্থিক পরিমাণ ১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৫-এর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিএলআই কর্মসূচিতে প্রকৃত লগ্নি হয়েছে ২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। কর্মসংস্থান হয়েছে প্রত্যক্ষ, অপ্রত্যক্ষভাবে ১২.৬০ লক্ষের।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-২৬ অনুযায়ী ১২টি সেক্টরে পৌনঃপুনিক উৎসাহভাতা হিসেবে ২৩ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ১৪টি ক্ষেত্রে ৮০৬টি আবেদনপত্র অনুমোদিত হয়েছে। পিএলআই কর্মসূচিতে রপ্তানির পরিমাণ ৮.২০ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত ইলেক্ট্রনিক্স, ওষুধ এবং টেলিকম ও নেটওয়ার্কিং পণ্যের জন্য। ২০২৫-২৬-এর কেন্দ্রীয় বাজেটে পিএলআই-এর সহায়ক হিসেবে ন্যাশনাল ম্যানুফ্যাকচারিং মিশন (এনএমএম) ঘোষিত হয়।
উদ্ভাবনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সরকার ৬ বছরের জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি একটি নতুন রিসার্চ ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (আরডিআই) তহবিলের ঘোষণা করেছে।
মেধা সত্বে বিশ্বস্তরে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ভারত। ট্রেড মার্কে তার স্থান চতুর্থ, পেটেন্টে ষষ্ঠ এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইনে সপ্তম। ২০২৫-এর অগাস্ট পর্যন্ত ৬টি রাজ্যের পৌনঃপুনিক ১.৬০ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগে ১০টি সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং প্যাকেজিং প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।
দেশে সেমি কন্ডাক্টর ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ রূপায়ণে ৭৬ হাজার কোটি টাকার ইনসেনটিভ ফেমওয়ার্কের সাহায্যে তৈরি হয়েছে ইন্ডিয়া সেমি কন্ডাক্টর মিশন এবং সেমিকন ইন্ডিয়া কর্মসূচি।
