ওয়েব ডেস্ক; ৩০ জুন : উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আত্মহত্যা প্রতিরোধ এবং ছাত্রদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় গঠিত জাতীয় টাস্ক ফোর্স ১০টি রাজ্যে ৩০টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সফর করেছে। ২০২৫-এর মে মাস থেকে তারা এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সফর করছে। স্নানীয় বিষয়ভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যালোচনার স্বার্থেই এই সফর। আন্তঃবিষয়ক ও সমতাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গী সুনিশ্চিত করতে এই টাস্কফোর্স স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে ২৫ বার পরামর্শ বিনিময় কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। ২০২৬-এর জানুয়ারি মাস থেকে জাতীয় টাস্ক ফোর্স যেসব বিষয়গুলির ওপর বিশেষভাবে আলোচলা চালিয়েছে তা হল, বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্র ও শিক্ষক, উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জাতিগত বৈষম্য, লিঙ্গ মানসিক স্বাস্থ্য এবং আত্মহত্যা, তপশিলি জাতি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রী, মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যার অপরাধ প্রবণতা দূর করা, উচ্চশিক্ষায় ছাত্রদের আত্মহত্যায় লিঙ্গগত প্রশ্ন এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে আলোচনা, আইনি ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা প্রভৃতি।

দেশে ছাত্রদের আত্মহত্যা প্রবণতা বাড়তে থাকায় ২০২৫-এ ২৪-এ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট এই জাতীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করে। এর কাজ হল, দেশ জুড়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া এবং তাদের সার্বিক কল্যাণে কিছু বাধা হয়ে দেখা দিচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা।

জাতীয় টাস্ক ফোর্সে প্রাথমিক কাজের পরিধি তিনটি ভাগে বিভক্ত। প্রথমত ছাত্রদের আত্মহত্যার মূল কারণ কি তা চিহ্নিত করা। দ্বিতীয়ত সংশ্লিষ্ট আইন, নীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামো পর্যালোচনা এবং তৃতীয়ত চলতি আইনি এবং প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামোয় সংস্কারের স্বার্থে কী জরুরি তার পথনির্দেশ।

২০২৫-এর নভেম্বরে একটি অন্তর্বর্তীকালীন রিপোর্টে এনটিএফ-এর প্রথম পর্যায়ের কাজকর্মের কথা জানায়। জুলাই ২০২৫ এবং মে ২০২৬-এ স্টেটাস রিপোর্টে এনটিএফ জানায় উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলির সফর সহ অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা, ছাত্র, অভিভাবক, শিক্ষক মণ্ডলী এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে পেশাদারদের সঙ্গে তাদের আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে।

 সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশ ওয়েবসাইটে আপলোড করা আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *