ওয়েব ডেস্ক; ১২ আগস্ট: উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণ বন্দে মাতরম-এর সার্ধ শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আজ নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপম থেকে সাংসদ ও অন্য জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত হর ঘর তিরঙ্গা বাইক র্যালির সূচনা করেছেন।
এই র্যালি ভারত মণ্ডপম থেকে শুরু হয়ে মেজর ধ্যানচাঁদ ন্যাশনাল স্টেডিয়াম পর্যন্ত যায়।
উপরাষ্ট্রপতি বলেন, বন্দে মাতরম মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসাকে জাতীয় কর্তব্যে রূপান্তরিত করে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনায় এক জোরালো অভিব্যক্তি হয়ে উঠেছিল। এই মন্ত্র অগণিত স্বাধীনতা সংগ্রামীকে সাহস, আত্মত্যাগ ও আশায় উদ্বুদ্ধ করেছিল।
তাঁর সাম্প্রতিক আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ সফরের উল্লেখ করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু দ্বীপ এবং ঐতিহাসিক সেলুলার জেল তাঁকে গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে। তিনি ১৯৪৩ সালে নেতাজীর ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কথা স্মরণ করেন। সেলুলার জেলে বন্দী স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের উল্লেখ করে তিনি বলেন, এঁদের অনেকেই বন্দে মাতরম ধ্বনি দিতে দিতে ফাঁসির মঞ্চে জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন।
স্বাধীনতা সংগ্রামে বন্দে মাতরমের দেশব্যাপী প্রভাবের উল্লেখ করে রাধাকৃষ্ণণ তামিলনাড়ুর স্বাধীনতা সংগ্রামী ও নেতাদের অবদান ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। ভি ও চিদাম্বরম পিল্লাই, সুব্রমনিয়া সিভা, তিরুপ্পুর কুমারণ ভাঞ্চিনাথন ও জাতীয় কবি সুব্রমনিয়া ভারতীর কথা বলেন তিনি।
উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে হর ঘর তিরঙ্গা অভিযানের সূচনা করেছিলেন, তা আজ এক জন আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। নাগরিকরা দেশ জুড়ে তেরঙ্গা যাত্রা, বাইক ও সাইকেল র্যালিতে যোগ দিচ্ছেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা হচ্ছে। সাংসদ ও জনপ্রতিনিধিদের তিনি নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় এই অভিযানকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র কুমার শেখাওয়াত, রাজীব রঞ্জন সিং, বীরেন্দ্র কুমার, জি কিষান রেড্ডি, কিরেন রিজিজু, জীতেন্দ্র সিং, বিভিন্ন সাংসদ ও জনপ্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
