ওয়েব ডেস্ক; ১১ আগস্ট : জিও পার্শি প্রকল্প ২০১৩ সালে প্রকাশ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় পার্শি সম্প্রদায়ভুক্ত সুবিধাপ্রাপকদের বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধানে চিকিৎসা, গর্ভাবস্থা এবং শিশুর জন্ম দেওয়ার পর আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়। এ পর্যন্ত ৫৮৪ জন এই প্রকল্পের সহায়তা পেয়েছেন। এছাড়াও ‘হেল্থ অফ কমিউনিটি’ প্রকল্পের আওতায় ১০৫৫ সুবিধাপ্রাপককে ২০১৮-১৯ সাল থেকে সহায়তা করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষের থেকে এ পর্যন্ত পার্শি সম্প্রদায়ভুক্ত পরিবারগুলিতে ৫৩৪টি শিশু জন্ম নিয়েছে। এই সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাওয়ার আবহে এতগুলি শিশুর জন্ম লাভের ঘটনা আশার সঞ্চার করে। এই প্রকল্পের সাফল্যের দিকটি একটি নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষের সংস্থার মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয়।
জিও পার্শি প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১১ লক্ষ টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৩৯ লক্ষ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ২৪ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। হেল্থ অফ কমিউনিটি প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ২ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ২ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ২ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে।
পার্শি সম্প্রদায়ের মধ্যে এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দিতে জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি কার্যশালা এবং মতবিনিময় কর্মসূচিও পালিত হয়েছে। প্রধান প্রধান পার্শি সংবাদ পত্রগুলিতে নিয়মিত এ সংক্রান্ত তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে।
রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।
