অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো~ ২০১৬ সালে মাধ্যমিকে ৭৮.১৪% এবং ২০১৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিকে ৮৪.৮% নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হবার পর বর্তমানে সে বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে হিস্ট্রি অনার্সের পঞ্চম সেমিস্টারের ছাত্রী ।ইনি উত্তর কলকাতার মানিকতলা যুগিপাড়ার মেধাবী ছাত্রী অরুনিভা দে ।অরুনিভার বাবা করোনা পরিস্থিতির কারণে লক ডাউনে কাজ হারানোর পর বর্তমানে সবজির দোকান চালিয়ে সংসারে চালাচ্ছেন, প্রয়োজনে মেধাবী ছাত্রী অরুনিভাকেও বাবার সবজি বিক্রির কাজে সাহায্য করতে হয় । তবে স্বপ্নকে সাথী করে ভবিষতে ইতিহাসে পিএইচডি করতে চায় এই মেধাবী ছাত্রীটি । রনি রায় খেলার মাঠের বিখ্যাত ফটোগ্রাফার। জীবদ্দশায় নিজেকে নিঃস্ব করে সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য লড়াই করে গিয়েছেন, কিন্তু তিনি অকালেই জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন । তবে হেরেও যারা হার মানেন না, রনি রায় তাদের মধ্যে অন্যতম।
স্ত্রী গত হয়েছেন অনেক আগেই। তাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি চালিয়ে গিয়েছেন আমৃত্যু। এবারে রনির স্মৃতিতে প্রত্যন্ত স্তরের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপ ঘোষণা হল ২০২ সালের। বঞ্চনার কুফল থেকে বঞ্চিত সমাজ আলোকিত হোক, রনি রায়ের দেখিয়ে দেওয়া পথে উঠে যাক অসামঞ্জস্যতার অদৃশ্য দেয়াল।
