নির্বাচন কমিশন এখনো পর্যন্ত রাজ্যের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করেনি কিন্তু ২০২১ সালের নির্বাচন যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্যে শুরু হবে এবং চলবে তা ভালোভাবে বুঝতে পারছেন সাধারন মানুষ।আজ এক সংবাদিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ টি আসনে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করল লোক জনশক্তি পার্টি, পশ্চিমবঙ্গ শাখা। ‘পশ্চিমবঙ্গে ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, বৈশ্যের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ,এছাড়া ওবিসি, এস টি, এস সির সংখ্যা প্রায় ৫৩ শতাংশ। মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষজনের সংখ্যা ৩০%। সে ক্ষেত্রে বিচার করলে দলিত সম্প্রদায় ভুক্ত মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ সেভাবে দেওয়া হয়নি— এ কথা জানান দলের রাজ্য সভাপতি মীরা চক্রবর্তী ।মীরা দেবী বলেন, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে ৫২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। সেখানে চাকরি হয়েছে মাত্র ৮০০ জনের। পশ্চিমবঙ্গে মোট জনসংখ্যা ১ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ এখনও বেকার রয়েছেন । স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এতে সম্পূর্ণভাবে মানুষকে বোকা বানানো হচ্ছে। বামফ্রন্ট সরকার দু লক্ষ কোটি টাকা দেনা করে গেছেন ৩৪ বছরে, কিন্তু বর্তমান সরকার ১০ বছরে তিন লক্ষ কোটি টাকা দেনা করেছেন।’ তিনি আরো বলেন, নতুন কৃষি আইন নিয়ে ভারতবর্ষের ২৮টি রাজ্যের মধ্যে শুধুমাত্র পাঞ্জাব ও হরিয়ানা এই আন্দোলনে শামিল হয়েছে। আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছেন। এটা কি পশ্চিমবঙ্গে চাষীদের প্রতি বঞ্চনা নয় ? ‘মীরা চক্রবর্তী জানান, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে মোট ১ লক্ষেরও বেশি কর্মী তাদের দলে রয়েছে। অতএব তারা আগামী নির্বাচন নিয়ে খুব আত্মবিশ্বাসী। তবে ক্ষমতায় আসার জন্য কোন দলের সাথে আগামী দিনে তারা সমঝোতা করবেন কিনা, সে কথা আলোচনা সাপেক্ষ বলে জানান মীরা দেবী।আজ এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিমল চন্দ্র বিশ্বাস, যুব সভাপতি জয় রায়, প্রদীপ দাস, মাইনোরিটি প্রেসিডেন্ট ইকবাল মোল্লা প্রমুখ।