ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন শুল্ক প্লাজায় ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে ফাস্ট্যাগ-এর মাধ্যমে টোল সংগ্রহ শুরু করেছে। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে ১৭,৯৪২ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে ২১,৯৪৮ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ২৪,৩৯৬ কোটি ২০ লক্ষ টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ২৬,৮৫০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ২৭,৭৪৪ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা শুল্ক আদায় করেছে।

বৈদ্যুতিন পদ্ধতিতে ফাস্ট্যাগ-এর মাধ্যমে শুল্ক আদায়ের প্রক্রিয়াটিকে যে ব্যাঙ্ক ফাস্ট্যাগ ইস্যু করে সেই ব্যাঙ্ক লেনদেনের ১.৫ শতাংশ অর্থ পেয়ে থাকে। যে ব্যাঙ্কে লেনদেনের টাকা জমা পড়ে সেই ব্যাঙ্ক ১.২৫ শতাংশ, ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া ০.২৫ শতাংশ এবং ইন্ডিয়ান হাইওয়েজ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ১ শতাংশ অর্থ পেয়েছে। এই ব্যবস্থা ৩১শে মার্চ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।

দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে সরকারি শুল্ক প্লাজাগুলিতে শুল্ক আদায়ের জন্য বিভিন্ন সংস্থাকে বাছাই করা হয়। শুল্ক বাবদ আদায়কৃত অর্থ কনসলিডেটেড ফান্ড অফ ইন্ডিয়াতে জমা পড়ে।

রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি।