শ্রেয়া ঘোষাল
৩ য় পর্বের পর……
তিন চার দিন বাড়িতে রান্নাবান্নার পাট ছিল না। শুকনো পাঁউরুটি, বিস্কুট, চা। সুকোমল বেরিয়ে গেছে ভোরবেলা গাড়ি নিয়ে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেরিয়েছে। ফোনের পর ফোন করে গেছি আমি। সু এর ঘরে ঢুকে পড়ার টেবিল, ওয়াড্রোব, বুক শেল্ফ তোলপাড় করেছি। কেন কে জানে। আস্তে আস্তে আবার দৈনন্দিনে।
কবে থেকে যেন আবার প্রেসার কুকাররের সিটির আওয়াজ উঠেছে। গাড়ি নিয়ে সুকোমল সকালে অফিস বেরিয়েছে। আমি অ্যাপ ক্যাব নিয়ে। সু ফোন নম্বর বদলে নিয়েছে। বদলে নেবে জানা কথাই। অথচ মাথায় আসেনি ফোন করা যেন হাতের পাঁচ মাস পেরিয়ে কথা বলতে গিয়ে শুনি সু’র নম্বরের কোন অস্তিত্ব নেই। ছ্যাঁত করে উঠেছে বুকটা।
যেন মেয়েটারই অস্তিত্ব রইল না আর। ক্রমশ কতগুলো মিথ্যে। অফিসে বাইরের লোকেদের কাছে। মুম্বাইতে সেটল করেছে ওরা। আলগা সান্ত্বনা শুনতে হয়েছে, ‘ঠিক হয়ে যাবে আস্তে আস্তে।’ আড়ালে কানাকানি। আমাদের নিয়ে, সুকে নিয়ে। কি টেস্ট, আমাদের ফ্যামিলির মেয়ে। কবে থেকেই তো বৌদিকে বলছিলাম সম্বন্ধ দেখো। জামাইবাবুও যেমন রগচটা।
ক্রমশ…..
