ডা চন্দ্রগুপ্ত

দ্বিতীয় পর্বের পর……..

ও যে এমন সব প্রশ্নের জন্যে তৈরি হয়ে আসেনি কয়েক সেকেন্ডে সেটা বুঝতে পেরে আবার শুরু করলেন, ‘গত পাঁচ বছরে কলেজগুলোর পলিটিক্যাল ডেটা সহ এবারের অ্যাসেসমেন্ট সোমবারে আমাকে দেবে।’

‘নেক্সট। সমীর চ্যাটার্জ্জী,—উদ্বাস্তু কলেজ শুধুমাত্র তোমার ভাইকে পারমানেন্ট চাকরি দেবার জন্যে একটা পোষ্ট তৈরি করা হল।

সাপ, ব্যাঙ টিকটিকি, পিঁপড়ে খোঁজার কর্মী। ফলস্বরূপ তোমার ভাগে দুটি কলেজ। আমি মানছি, একজনের ওপরে এটা অনেক বেশি চাপ।’

সিগারেটে লম্বা একটা টান দিয়ে প্রণবদা ডানদিকে ঘাড় ফেরালো ঈযৎ। বিদ্যুৎ গতিতে কানাই অ্যাসট্রে ওর সামনে ধরল। সিগারেটের ছাই ঝেড়ে পুরোনো বক্তব্যের রেশ ধরল প্রণব বসু, ‘উপায় নেই সমীর, ছাব্বিশ জন দলের সদস্যের আবেদন নাকচ করে ‘স্বর্গদ্বান রিসর্ট’-এ তোমাকে দোকান দিয়েছি।

তাই দলের কাজের চাপ তো আমি অথবা জেলা অফিস নেবে না।’

পুরো অফিস ঘরে হাতে গোনা দশ জন লোক। কিন্তু প্রণব দা কথা শেষ করার পরে শুধু বাইকের রিক্সা-অটোর শব্দ শোনা যাচ্ছে।

সবাই সিরিয়াস মুডে যে যার কাজের মুল্যায়ন করছে মনে মনে। সবাই জানে যে হাবুল হচ্ছে প্রণবদার শত্রু লবির। প্রত্যেকবার উনি হাবুলের ত্রুটি খুঁজে সেটা জেলাতে পাঠান।

তার ফলে ওখানে হাবুলের নম্বর কমে কমে এখন শূন্যতে প্রায়। কয়েকবার ওয়ার্নিং ও খেয়েছে। এখন চোখ বুজে প্রণবদা সিগারেট টানছে।

এটা বিপদের সংকেত। মাথার কুট বুদ্ধিগুলোকে চোখ বুজে শান দিচ্ছে প্রণব বসু। হঠাৎ চোখ খুলতেই সবার বুক ঢিপ ঢিপ শুরু হল। এবার কি শোনাবে?

ক্রমশ……