চন্দন চ্যাটার্জী
প্রথম পর্বের পর….
………… দৈব নির্দেশে নিকসনের সঙ্গে পরিচয় হল লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ জ্ঞানেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সাথে। পরবর্তীকালে নিকসনের ভারতে আগমন, লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার সাথে যুক্ত হওয়া এবং দৈবযোগে ডঃ জ্ঞানেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর স্ত্রী মনিকাদেবীর অনুগ্রহ লাভ। এ সমস্ত ঘটনা যেন এক অদৃশ্য শক্তির আঙুল হিলনে ঘটতে থাকল। কিন্তু মোক্ষলাভের এবং দৈবানুগ্রহ লাভের এক অদ্ভুত আকর্ষণ নিকসনকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলল মনিকাদেবীকে কেন্দ্র করে।
স্বামীর মৃত্যুর পর মনিকাদেবী সন্ন্যাস নেন এবং তার নাম হয় যশোদা মাই। সন্ন্যাসের আগে নিকসনকে তিনি পুত্র-স্নেহে ডাকতেন গোপাল বলে। গোপালের একান্ত অনুরোধে যশোদা মাই তাকে দীক্ষা দান করেন। নতুন নাম হয় ‘কৃষ্ণপ্রেম’। গুরু-শিষ্যের কঠোর সাধনায় আলমোড়ার মার্তোলায় গড়ে ওঠে এক অসামান্য সাধন ক্ষেত্র।
অনেক দেশী-বিদেশী শিষ্য-শিষ্যা সমাগমে বৈষ্ণব মন্ত্রে দীক্ষিত জনসমগমে ক্রমে এই স্থানটি নরনারায়ণ সেবার এক নিদর্শন স্থল হয়ে ওঠে।
ক্রমশ…….
