চন্দন চ্যাটার্জী
প্রথম পর্বের পর……
পুণ্যাদাসীর থেকে ভিক্ষায় পাওয়া আধখানা পোড়া রুটি দিয়ে পরম তৃপ্তিতে মধ্যাহ্ন ভোজন করে ভক্তদের বললেন, ‘তোমরা সর্বদা স্মরণ রেখো, দানের মূল্য ও মর্যাদা নিরূপিত হয় দাতার মনোভাব দিয়ে।’রাজগৃহে থাকার সময় একবার তথাগত বুদ্ধের শুলবেদনা শুরু হয়। তিনি তখন ত্রিকুট-যান্ত খেয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তার সেবক আনন্দ সেটি দেখে ভবিষ্যতে এমন হতে পারে সেই আশঙ্কায় আগে থেকেই কিছু ত্রিকুট-যান্ত সংগ্রহ করে রাখেন।
এর কিছুদিন পরে তথাগত আবার শুল বেদনায় আক্রান্ত হন। সেবক তৎক্ষণাৎ, সেটি প্রস্তুত করে ভগবান বুদ্ধের সামনে হাজির করে। বুদ্ধ অবাক হয়ে যান এত দ্রুত এটি সংগ্রহ করা কি করে সম্ভব হল? সেবক উত্তর দিল যে, সে এগুলো সঞ্চয় করে রেখে ছিল। কারণ তথাগত মাঝে মাঝেই শূল বেদনায় কষ্ট পান।
তার জন্যে এই ব্যবস্থা। এবার ভগবান বুদ্ধ বললেন যে, ‘এটি তার অভিপ্রেত নয়। কারণ একজন ভিক্ষু কখনো সঞ্চয় করে না। নিজের জন্যে রান্নাও করে না। ত্যাগব্রতী ভিক্ষুর পক্ষে একাজ ঘোরতর অন্যায়।
ক্রমশ…….
