ডা চন্দ্রগুপ্ত
১৩ তম পর্বের পর….
দূর থেকে রৌনকও এগিয়ে আসছে। আজ শ্রেয়ার সামনে গিয়ে একটা রোমান্টিক টেক্সট বলতে হবে। সেটা মনে মনে সাজাচ্ছে। হঠাৎ তিন-চারটে ছেলে অসভ্যের মতো রৌনককে প্রায় ঠেলে দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। মুহূর্তে একটা তীব্র চিৎকার উঠল শান্ত পরিবেশকে ছিন্ন করে। ‘হেল্প, হেল্প— কি করছেন’!চারটে ছেলে শ্রেয়ার হাত ধরে টানছে। আর শ্রেয়া হেল্প চাইছে। দৌড়ে গেল রৌনক। দু’হাতে দুটো ছেলেকে ঠেলে ফেলে দিয়ে শ্রেয়াকে আড়াল করতে যেতেই, ছেলেগুলো একসাথে রৌনককে ঘিরে ধরল। শুরু হল ঝড়ের মতো কিল, লাথি। শ্রেয়ার চিৎকার শুনে বেগনভেলিয়ার ঝোপের পাশ থেকে ততক্ষণে ছুটে এসেছে রৌনকের বিপক্ষ দলের ৭-৮ জন ছেলে। ইতিমধ্যে রৌনকের দলের যে দু’জন ওর সাথে ছিল পালিয়ে গিয়ে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। তবে ছাত্র সংঘের ছেলেরা এগিয়ে আসতে আক্রমণকারী ছেলেগুলো রৌনককে যথেচ্ছ পিটিয়ে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় রৌনককে উদ্ধার করে ছাত্র সংঘের ছেলেরাই বাড়ি পৌঁছে দেয় রাতে।
ঘটনার পরদিন সূর্যোদয়ের আগেই ঘটনাটি প্রণব বসুর রাজনৈতিক কৌশলে ছড়িয়ে পড়ে পুরো অঞ্চলে। রৌণকের বাড়ির চারদিকে শুধু মানুষের জটলা। সকাল ৯টা নাগাদ প্রণব বসু কানাইকে নিয়ে ঢুকলেন রৌনকদের বাড়িতে। ওর বাবার সাথে চোখাচোখি হতে, উনি ইশারায় —প্রণব বসুকে ভেতরে যেতে বললেন।
ক্রমশ…..
