প্রিয়ম্বদা প্রিয়া
অফিস থেকে বেরিয়ে অরিন্দমের মাথা দপদপ করছে। গাড়িতে উঠে স্টিয়ারিং ধরে বসে রইল কিছুক্ষণ। নামেই কোম্পানির চেয়ার পারসেন ওর কোনও পাওয়ার আছে। সব নিয়ন্ত্রণ তো দিব্যেন্দু রায়ের অধীনে। গাড়ি স্টার্ট দিল, আজ বারে গিয়ে কত গুলো পেগ না চড়ালেই নয়। সন্ধে সাতটা হবে, স্ট্রিট লাইটে ঝলমল কলকাতা নগরী। অরিন্দমের হাতে স্টিয়ারিং, মেজাজটা গরম। হঠাৎ চোখ পড়ল ফুটপাথে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার উপর। প্রীতি মনে হচ্ছে। হু, প্রীতিই তো! প্রায় আট ন বছর হবে, কোনও দেখা সাক্ষাত হয়নি মাঝে। গাড়িটা ফুটপাথের কাছে এগিয়ে নিয়ে জানলার কাঁচ নামিয়ে মুখ ডাকল… ‘প্রীতি… বাড়িয়ে কোথায় যাচ্ছ? চলো পৌঁছে দি প্রীতি দ্বিধা করছে এদিকে পিছনের গাড়িগুলো প্যাপু সুরু করেছে।
অরিন্দম গাড়ির দরজার লক খুলে দিল….. ‘তাড়াতাড়ি বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারব না।’ প্রীতি উঠে পড়ল। অরিন্দম চাইছিল মুডটা অন্যদিকে সরাতে তাই প্রীতিকে লিফট দিল। আজকের মিটিংয়ে দিব্যেন্দু রায় যে ভাবে সকলের সামনে বুঝিয়ে দিল, তোমার একচুয়াল পজিশন কি!
ক্রমশ…..
