রিমা বিশ্বাস

চতুর্থ পর্বের পর……

——তুমি সেটল হবেই! এত ভালো ছাত্র তুমি!’ —‘আমার চেয়েও ভালো আছে!’

ব্যাস! এর বেশি কিছুই বলতে পারেনি। কি বা বলত! বলতে কি পারত রূপঙ্কর তোমায় ভালো লাগে। মনে হয় শুধু দুজনে পাশাপাশি বসে কথা বলি। তুমি সকলের মাঝে শুধু আমায় দেখ। একগোছা রজনীগন্ধা এনে আমার হাতে দাও। ওই ফুলের মিষ্টি সুবাসের সঙ্গে ছড়িয়ে থাক আমাদের প্রেম। আমি কবিতা বলব তুমি শুনবে। আমার কথা ভাববে, লিখবে আমায় চিঠি! না রূপালী বলতে পারেনি। কিছুই

তারপর ভিড় ট্রেন স্টেশনে থামলে লোকের যেমন ট্রেনে ওঠার আবার নেমে যাওয়ার তাড়া থাকে। তারপর মিলিয়ে যায় যে যার উদ্দেশ্যে—ঐভাবেই কলেজ শেষ করে সবাই এদিক ওদিক ছিট্‌কে গেল।

রূপালীর চাকরিটা হয়ে গেল। বাড়ির অবস্থা ভালো ছিল। না। দাদা বেকার তাও বিয়ে করে নিল। তারপর বুলুও হয়ে গেল। সকলের বোঝা তো রূপালিই টানছে। এই সংসারের ইঞ্জিন হল রূপালী। হালে দাদা একটা দোকানে কাজ পেয়েছে।

অফিসে ঢুকে দেখে মালাদি সুন্দর কচিকলা পাতা রঙের শাড়ি পরেছে। তাকে ঘিরে রয়েছে অফিসের অনেকেই। আজ মালাদির ম্যারেজ অ্যানিভার্সারী। রূপালীও ওর আনা গিফটা এগিয়ে দিল—‘আজকের শুভদিনে তোমার জন্য শত শত শুভেচ্ছা!

ক্রমশ…….