রিমা বিশ্বাস
সপ্তম পর্বের পর…..
নিজেকে সামলে বললো—‘আমার কাঁধে অনেক দায়িত্ব! মালাদিকে না করতে পারলাম না তাই এলাম। হয়ত আলাদা ঘর বাঁধতে পারব না!’
মালাদি সেই সময় ট্রেতে করে চিকেন পকোড়া নিয়ে এল—’ কদ্দুর এগোল তোদের গাড়ি!’ রূপঙ্কর মশকরা করে বলল— ‘গাড়ি তো স্টার্টই হচ্ছে না!’
—‘ড্রাইভার বাজে!’ বলে সামনের টেবিলে ট্রে রেখে চলে গেলে মালাদি!
রূপঙ্কর তাকাল রূপালীর দিকে— ‘দোষ যে
ড্রাইভারের হল!’
হাসল রূপালী—‘লোড নিয়ে গাড়ি চালানো ঝক্কির!’ হা হা করে হেসে উঠল রূপঙ্কর–—এই ড্রাইভারকে একবার বিশ্বাস করে দেখই না! অনেক লোড না হয় তোমার সঙ্গে ভাগ করে নেব।’
ওর কথাটা ঘোরের মতন শোনাল। রূপালি যেন ঘুম থেকে উঠে শুনল রূপকথা সত্য হওয়ার ঘটনা। রূপঙ্কর বললো—‘ক্যারিয়ার গড়তে আর বিয়ের সময় পাইনি। অনেক প্রস্তাব এসেছে কিন্তু তেমন ভালো লাগেনি। কাউকে। তোমায় দেখে মনে হল আবার কলেজে ফিরে গেছি। নতুন করে কিছু শুরু করতে চাইলে সঙ্গী যদি পুরনো হয় তবে সে যাত্রা সুখকর হয়! কি বল! ভুরু নাচাল রূপঙ্কর।
ওর দিকে চেয়ে রইল রূপালী। রঙিন ছবি চকমক করছে চোখের সামনে। আনন্দের বুদ বুদ বুকের ভিতর ফুলে ফুলে উঠছে। স্মৃতিপটে ভেসে আসছে পুরনো দিনের কত কথা!
ক্রমশ…..
