প্রশান্ত ডোম
হিংলাজ তীর্থ হিন্দু ধর্মের মানুষের কাছে অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান। পাকিস্তানের সিন্ধু নদের মোহনা থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে হিংলাজ পর্বত শৃঙ্গের নীচে নদীর ধারে অবস্থিত শক্তি সাধনার মহাপীঠ হিংলাজ মরুতীর্থ। এটি ৫১ সতীপীঠের অন্যতম। কারো কারো মতে দেবীর ‘কপাল’ এখানে পতিত হয়েছিল, কারো কারো মতে দেবীর ‘কিরীট’। এখানকার মন্দিরটি উৎসর্গ করা হয়েছে অগ্নীদেবীর নামে। দেবী হিংলাজ, হিংগুদা নামেও অভিহিতা হন। শ্রেষ্ঠতম শক্তি বিভূতি যে সাধকরা অর্জন করতে চায়, তা সে যোগী হোক বা তান্ত্রিক, তারা প্রায় সবাই এই তীর্থ দর্শন করেন। মুসলমান ধর্মের মানুষ এই হিংলাজ তীর্থ দেবীকে বলেন বিবি নানী।
মহাযোগী গোরক্ষনাথের একটি প্রাচীন ও জাগ্রত ধুনী এই তীর্থে এখনো রয়েছে। এটি যোগী এবং কৌল সাধকদের কাছে পরম পবিত্র। হিংলাজ থেকে ফেরার পথে তীর্থযাত্রীরা কোটেশ্বরের মহাদেব দর্শন করেন। আরেকটি বিষয় হচ্ছে নাথ যোগীদের অতি প্রিয় পবিত্র চুনাপাথরের মালাগুলো ওখানে পাওয়া যায়। এখানে অর্থাৎ আশাপুরীর অরণ্যে। এইগুলো কিছু ছোট ছোট পাথর থাকে, কিছু থাকে বড়। ‘হিংলাজ কা ঠুমরা’ হচ্ছে পাথরের খুব ছোট ছোট দানা। যেগুলো বড় দানা সেগুলো হচ্ছে ‘আশাপুরী।’
শেষাংশ পরবর্তী সংখ্যায়…..
