ডিজিটাল :

বৰ্ম্মা- ব্রহ্মদেশকে বৰ্ম্মা বলা হয়। ব্রহ্মদেশ ভারতের সীমান্তবর্তী দুর্গম অঞ্চল হওয়ায় জলপথে ব্রহ্মদেশে মানুষ যাতায়াত করত। আসাম ও মনিপুর দিয়ে দুর্গম পথে ব্রহ্মদেশে মানুষধৰ্ম্ম প্রচারে গিয়েছিল। ব্রহ্মদেশে বিভিন্ন জাতির বাস হওয়ায় লোক শিল্পের প্রভাব বেশি থাকায় স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের কাজগুলি বেশি দেখা যায়। ব্রহ্মদেশে বৌদ্ধস্তূপকে ‘প্যাগোডা’ বলে। পাগান শহরে বহু বৌদ্ধ মন্দির নির্মিত হয়েছে। মন্দিরের চূড়ার কাজ বুদ্ধগয়ার মন্দিরের সঙ্গে মিল আছে। একাদশ শতাব্দীর শেষে রাজা কিয়ন জিম্ম আনন্দ মন্দিরটি নির্মাণ করেন। মন্দিরটি দেড়শত ফুট উঁচু ; সৌন্দর্যের দিক থেকে অতুলনীয়। মন্দিরের মাঝখানে বিরাট চারটি বুদ্ধমূর্তি। এর উপরিভাগে ছোট ছোট বহু মন্দির চূড়ায় সুসজ্জিত। মন্দিরের গায়ে পোড়া মাটির চিত্রকলার নিদর্শন থাকায় এটাকে পাহাড়পুরের মন্দিরের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

চিত্রকলায় ও ভাস্কর্যে বাংলাদেশের নির্দশ সুস্পষ্ট। ব্রহ্মদেশের রাজধানী মান্দালয়ে কাঠের কারুকার্যের নানা রঙ এর গালার ব্যবহার চালু হওয়ায় শিল্প গৌরবের মহিমা হারিয়ে ফেলে।

তথ্য: চিত্র ভূষণ