গৌতম দে
অষ্টম পর্বের পর……
সেদিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে মালতি। কি সুন্দর বাগান! মালতির যেন বিস্ময়ের শেষ নেই। তার বড় বড় চোখ আরও বড় হয়ে ওঠে। এক ঝলক থম মেরে দাঁড়িয়ে জিগ্যেস করে, এখানে বুঝি রাজা রানি থাকে?
—না।
—তুমি কি করে জানলে? তারপর ছেলেমানুষের মত বায়না ধরে, চলো না গো, রাজপ্রাসাদ ঘুরে আসি। —টাকা লাগে ঢুকতে।
—তাই নাকি!
—হুম।
বহু মানুষ ঘুরছে। বসে বসে গল্প করছে। প্রাসাদের গায়ে যেন স্বর্গের সিঁড়ি। মালতির মনে হয়। সেই সিঁড়ি বেয়ে মানুষ উপরে উঠছে। নামছে। কেউবা সেখানে বসে আছে। ধবধবে রাজপ্রাসাদের কতই না অহংকার। সেদিকে
তাকাতে তাকাতে এগিয়ে যায় মালতি। একটু যেন রাগ হয়। স্বামীকে আবারও জিগ্যেস করে, আমরা কোথায় যাচ্ছি বলতো?
কিছু বলে না সুখেন। মালতিও ছাড়বার পাত্র নয়। সে আবারও বলে, কি গো বলছ না কেন? —চ না। রাজপ্রাসাদের থেকেও অবাক হবি দেখলে। —–কি? কি গো? বার বার আগ্রহভরে জিগ্যেস করে
মালতি।
সুখেন কোনও উত্তর দেয় না। তার আগেই সেই জায়গায় এসে পড়ে। বহু আকাঙ্খিত জায়গা তার। কামান। যুদ্ধের কামান। এই কামানের একটা ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাস সুখেন জানে না। জানে না মালতিও। সুখেনের মত অনেকেই হাঁ করে সেই কামানটাকে দেখছে। মালতিও স্বামীর কাছে সরে আসে। তারপর ফিসফিস করে জিগ্যেস করে, এটা কি গো?
ক্রমশ………..
