ডা চন্দ্রগুপ্ত
১১ তম পর্বের পর…….
পাখির পালক দিয়ে কান চুলকাতে চুলকাতে যেমন বিরোধী দলের ছেলেদের হাত-পা ভেঙে দেবার বিধান দিতে পারেন, তেমনি ক্যাডবেরি দিয়ে স্কচ্ খেতে খেতে নির্বাচনী ইস্তেহার এর খসড়া ও তৈরি করতে পারে। স্বপন বলের কথায় উত্তর না দিয়ে প্ল্যানের বাকি অংশটি বলতে শুরু করল প্রণব বসু।
‘শ্রেয়াকে আমাদের নর্থ জোনের ২ জন সদস্য হাত ধরে টানা টানি করবে। এটা দেখতে পেয়ে ওকে বাঁচাতে আসবে রৌনক। কিন্তু আমাদের অন্য ছেলেরা রৌনককে আট্কে পেটাতে থাকবে, তোমরা যাকে ক্যালানো বলো। এই অবধি বলে প্রণব বসু থামল। এরপর আড় চোখে কানাই এর দিকে তাকাতে, কানাই এক সিগারেট খানিকটা প্যাকেট থেকে বার করে প্রণব বসুর সামনে ধরল। সিগারেট জ্বালিয়ে বাকি অংশ বলার জন্য প্রণব তৈরি হল। ‘অন্ধকারে দাঁড়ানো আমাদের ছেলেরা এবার দৌড়ে এসে রৌণককে মারের হাত থেকে বাঁচাবে। মনে রাখবে যেন আমাদের অ্যাটাকিং টিম, সেফ এসকেপ করতে পারে, দ্যাটস্ অল।’
কথা শেষ করে চশমার ফাঁক দিয়ে প্রণব বসু এক দৃষ্টে দেবাশীষের দিকে তাকিয়ে যাকে। একটা অন্তভেদী দৃষ্টি, যেন সব মনের কথা শুষে নিতে চাইছে প্রণব বসু। উনি এতসব কথা বলার মধ্যে তিনজনকে রিড করেছিলেন।
ক্রমশ……
