সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

পঞ্চম পর্বের পর…….

বক্তা শ্রোতা দুজনের চোখেই জল টলটল করছে। আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা

আবাসিকেরা তারাও চুপ।

সৌগতবাবুই নীরবতা ভাঙলেন। আপনার মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছি। টাকা পয়সা মানে আমি বলতে চাইছি চিকিৎসার খরচাপত্তর সব আপনি…!

‘পেনশানের টাকায় চলে যায়। এতদিন পাশে একজন ছিল, যাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে পারতাম, এখন সেও নেই। আমি একা, দিন গুনছি। তাই টাকা পয়সা নিয়ে আর ভাবিনা। এই আশ্রমের চাহিদা মেটানোর পরেও আমার যা সঞ্চয় আমার মৃত্যুর পরে সব এই আশ্রমকে দেব বলে উইল করেও দিয়েছি। কিন্তু দুটো জিনিসের জন্য এখনো মন কাঁদে।” “কী সেই দুটো জিনিস”? সৌগতবাবু ব্যাকুলভাবে জিজ্ঞেস করলেন। ‘আমার একটা নাতি ছিল। শেষ দেখেছিলাম যখন বছর দুয়েক বয়স। এই ছ’বছরে কতটা

বড় হল দেখতে খুব ইচ্ছে করে। ‘সেটাই তো স্বাভাবিক। দাদুর কাছে নাতির অনুপস্থিতির ব্যথাটা যে কত তীব্র তা তো আমিও অনুভব করি।

ক্রমশ…….