বাসবদত্তা

প্রথম পর্বের পর……

….

এবাড়িতে বিশাল এক গাড়ি কেনা হয়েছে। তার সেলিব্রেশনে শাশুড়ি মায়ের ইচ্ছেতে সবাই মিলে যাচ্ছে পুরী। শ্বশুরমশাইয়ের বহু যাত্রার সাথী সুকুমার দা স্টিয়ারিঙে। হাসিতে, মজাতে, রাস্তায় টুকটাক চায়ের ব্রেকে, সব মিলিয়ে ‘জাস্ট পারফেক্ট’ একটা ট্রিপ।

ভুবনেশ্বরে ছিল রাতের ব্রেক। সকালবেলা উঠেই আবার যাত্রা শুরু। যখন পঞ্চাশ কিলোমিটারও বাকি নেই পুরী পৌঁছাতে, হিমাদ্রির হটাৎ সখ চাপল সে খানিকক্ষণ কন্ট্রোল নেবে স্টিয়ারিঙের। ভোরের রাস্তায় উল্টোদিক থেকে আসছিল একখানা দৈত্যের মত লরী। নিজেদেরকে ওরা খুঁজে পেয়েছিল হাসপাতালে।

কমবেশি চিকিৎসার পর সবাই ঠিক হল, কিন্তু অমন যে দুরন্ত দস্যি বিতান, যার দস্যিপনায় ঠাকুমা থেকে তৃণা সবাই তঠস্ত হয়ে থাকত সারাদিন, সে আর হাঁটতে পারল না। সাত বছর বয়সেই দুনিয়াটা হুইলচেয়ারে আটকে গেল ছেলেটার!

ক্রমশ……