ডা চন্দ্রগুপ্ত
২০ তম পর্বের পর
চারদিকের এসব পরিস্থিতি পুলকের চিন্তা সুত্র ছিন্ন করতে পারছে না। কারণ ওর মাথায় এখন শুধু রৌনক। গত চারদিন লুকিয়ে চুরিয়ে পুলক এই শিষ্যকে তথ্য এবং নির্দেশ পাঠিয়ে গিয়েছে রৌনকও দূত এবং চিঠি মারফৎ উত্তর দিয়ে পুলককে সন্তুষ্ট করে গিয়েছে। এখন শুধু ওর আসার অপেক্ষা। নিজেকে আজ দ্রোনাচার্য্য মনে হচ্ছে। ওর আর্জুন— রৌনক। পুরো কলেজ নির্বাচন পরিচালন করবে।
ঘড়ি ধরে বিকেল ৪টেয় দলবল নিয়ে ঢুকল রৌনক। পাশে শ্রেয়াও রয়েছে। চোখে সানগ্লাস থাকার ফলে রৌনক কোথায় কাকে দেখছে সেটা বোঝা যাচ্ছে না। গেটের মুখে জড়ো হয়ে থাকা অযথা ছাত্র-ছাত্রীদের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল রৌনক। গেট দিয়ে ভেতরে ঢোকার আগে একেবারে পেছনে ঘুরে পুলকের দিতে হাত নাড়ল। প্রতি শুভেচ্ছা জানানোর সাথে সাথে ভেতরে ঢুকল রৌনক। ততক্ষণে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র দল জিন্দাবাদ শুরু হয়ে গিয়েছে। একটা সম্ভাব্য তৃপ্তিতে সিগারেট জ্বালালো পুলক। ঠিক ৬টায় নমিনেশন শেষ হবে।
একটা রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি। কলেজ গেটের বাইরে দুটো রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রায় সবাই এসেছে। চারদিকে দশ বারো জনের জটলা রয়েছে। এই প্রথম সবাই দেখল, প্রণব বসু রিক্সাতে আসছে। কলেজ গেটের একটু দূরে কানাই রিক্সাকে দাঁড়াতে বলল।
ক্রমশ…….
