পপি পারমিতা ( ঢাকা , বাংলাদেশ)

চতুর্থ পর্বের পর…….

রতন একেবারেই নির্বাক হয়ে রইল সমিরনের কথা শুনে। সমিরন অতক্ষণ এসব কী বলল? অবশ্য না বোঝারওতো কিছু নাই। পরিষ্কার বাঙলা ভাষাতেই তো বলল। সমিরন কাজের বুয়া হলেও কথা বলে শুদ্ধ চমৎকার ভাবে। ফলে তাঁর কথা না বোঝারতো কিছু নেই।

সেদিনই হুট করেই বাড়ি ফিরেছিল রতন। না, স্ত্রীর ওপর চোখ রাখতে নয়। সেদিন সব কাজ যেন হঠাৎ ফুরিয়ে গেল। বিস্তর অবসর চলে এলো, এমন অবসরে মনোযোগ দিয়ে সকল খুঁটিনাটি দেখে নেয়া যায়, যা এতোদিন চোখে পড়েনি!

শোবার ঘরের দরজা বন্ধ। বন্ধ দরজা ধাক্কাতে লাগল রতন। কিছুক্ষণ সময় কেটে গেল এরপর দরজা খুলে দিল পারুল। পেছনে দাঁড়ানো চোর ভঙ্গীতে আলম। রক্তশূন্য প্রায় পারুলের মুখ, নিশ্চুপে পালিয়ে গেল আলম।

কী হচ্ছিল? দরজা বন্ধ কেন?

ও… আমার পা দুটি না খুব ব্যাথা করছিল, তাই

আলমকে বলেছিলাম একটু টিপে দিতে। সতেরো বছরের ইয়াং একটা ছেলে বন্ধ ঘরে বসে তোমার পা টিপে দিচ্ছিল।

সেদিন থেকেই পারুল আছে ওর বাপের বাড়ি। তিন মাস হয়ে এলো, রতন তাঁকে আনতে যায়নি। মাঝে মাঝে গিয়ে মেয়েটিকে দেখে আসে। কিন্তু পারুলের মুখের দিকে তাকায় না রতন।

ক্রমশ……