সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে নীতি আয়োগ ডিসইনভেস্টমেন্ট সম্পর্কিত সেক্রেটারিদের কোর গ্রুপে বেসরকারীকরণের জন্য ২/৩ টি ব্যাংকের নামের একটি সুপারিশ জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র, ইন্ডিয়ান ওভারসীস ব্যাংক, সেন্ট্রাল ব্যাংককে এই তালিকা ভুক্তির কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোর গ্রুপ অফ সেক্রেটারি থেকে অনুমোদনের পরে, চূড়ান্ত নামটি বিকল্প মেকানিজম (এএম) এর কাছে কৌশলগত ডিসইনভেস্টমেন্ট জন্য গঠন করা প্যানেলের অনুমোদনের জন্য যাবে। অবশেষে নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় যাবে প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য।

ব্যাংক কর্মচারী এবং অফিসারদের ইউনিয়নগুলো যথারীতি বিরোধিতা শুরু করেছে। এ প্রসঙ্গে আইবক ও আইনবফ, পশ্চিম বঙ্গ, এর সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় দাস বলেন, বেসরকারীকরণ সরকারী খাতের ব্যাংকগুলির অসুস্থতার জন্য কোনও নিরাময়ের উপায় নয়। মুশকিল আসান অন্য কোথাও রয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকারের এই বেসরকারিকরণের ম্যানিয়া রাষ্ট্রের সর্বনাশ ডেকে আনবে। বিভিন্ন প্রতিকূলতার সত্ত্বেও বেশিরভাগ ব্যাঙ্ক যাদের এখনো পর্যন্ত যে ব্যালেন্সশিট প্রকাশ করেছে, তাতে কিন্তু দেখা যাচ্ছে তারা লাভ করেছেন।
ব্যাংক কর্মচারী ও গ্রাহকরা জাতীয়করণকৃত ব্যাংকগুলির বেসরকারীকরনের এই খবরে উদ্বিগ্ন। এই প্রসঙ্গে আইবক কিছুদিন আগেই হস্তাক্ষর অভিযান শুরু করেছিল এবং প্রয়োজনীয় জনসমর্থন আদায় করে নিয়েছিল। জনসাধারণের সমর্থন পেতে সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য ও নিতে শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, বেসরকারীকরণের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে শুরু করেছেন তারা।
গত রবিবার ফেডারেশন অফ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া এক টুইটার প্রচারের মাধ্যমে সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের সমর্থন আদায় করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ফেডারেশনের সর্বভারতীয় সভাপতি সঞ্জয় দাস নির্দিষ্টভাবে বলেন, আমাদের টুইটের বিষয় বস্তু ছিল #PrivatizationGoBack । টুইট করার ১০ মিনিটের মধ্যে ১০০০ জন টুইট করেন, ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ রি-টুইট করেন এবং তাদের হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ডিংয়ে চলে আসেন। এই ট্রেন্ডিং কখনো ১ নম্বর ,কখনো ২ নম্বরে অবস্থান করে প্রায় ৪ ঘন্টা ট্রেন্ডিংয়ে থাকে। সঞ্জয়বাবু দাবি, আজকের দিনের টুইটার প্রচারের ক্ষেত্রে একটা অভূতপূর্ব সাফল্য। তার