ওয়েব ডেস্ক, ১৯ মে, কলকাতা:
“আর কত মৃত্যুমিছিল দেখলে তবে ব্যাংক কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।”– এভাবেই রাজ্য আইবক ও আইনবফ এর সচিব সঞ্জয় দাস আজ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, বৃহত্তম ব্যাংক অফিসারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ব্যাংক অফিসার্স কনফেডারেশন পশ্চিমবঙ্গ শাখার তরফ থেকে একের পর এক চিঠি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কারোর কোনো হেলদোল নেই। গতকাল রাজ্যের মুখ্য সচিবকে সেই কথা জানিয়ে আইবক চিঠি আবার দিয়েছে।

যদিও বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করা কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে টীকা দেওয়া হচ্ছে কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে ব্যাংক কর্মচারীদের বাদ রাখা হচ্ছে। অথচ এই ব্যাংকগুলো গত বছর করোনা বা আমফান পীড়িত মানুষদের সরকারি অনুদান নিরলস ভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিতরণ করে গেছে। আবার হয়তো দুদিন পরেই কিছু বিতরণের কথা আসবে।

সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচন এবং গণনাতেও না যে ব্যাংকাররা তাদের কর্মনিপুনতার প্রমান রেখেছে, সেই ব্যাংকাররা আজ অসন্তুষ্ট। একের পর এক সহকর্মীকে চোখের সামনে করোনা পীড়িত হয়ে মরতে দেখে চরম অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। সংগঠন মনে করে এবার অন্তত তাদের কথা শোনা হবে এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তাদের টীকা প্রদান করা হবে।

তিনি আক্ষেপ করেন, লকডাউনের ফলে ট্রেন বাস বা অন্যান্য যানবাহন বন্ধ। কিন্তু আমাদের রোজ আসতে হচ্ছে। কেউ চিন্তা করেনি আমরা কি করে আসছি? রেল যে বিশেষ ট্রেন চালাচ্ছে তাতে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে বার বার বলা সত্ত্বেও কোনো সুরাহা হয়নি।

ব্যাঙ্ক কর্মীদের Frontline worker বা করোনা যোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অথচ মাঝে মাঝেই ধমকি দেওয়া হচ্ছে ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণের।

সঞ্জয় দাসের দাবি: আমাদের গালভরা নামের স্বীকৃতির দরকার নেই। আমাদের চাই অগ্রাধিকার দিয়ে ভ্যাকসিন, যাতায়াতের সুব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা।